পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৫০ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। দোলনায় দোল থাইতেছেন, এমন সময় কলিকাতার একজন বড় পণ্ডিত র্তাহীর সহিত দেখা করিতে আসিলেন। আসিয়া দেখেন এত বড় লোক হইয়াও রামমোহন রায় বালকদিগের সহিত দোলনায় জুলিতেছেন । অভ্যাগত পণ্ডিত রামমোহন রায়কে বলিলেন, “একি মহাশয় ? এ কি করিতেছেন ?” রামমোহন রায়ের আসামান্ত প্রত্যুৎপন্ন মতি ছিল ; বলিলেন, ‘মা শ্য, ইহাতে আমার ভবিষ্যতে উপকার হইবে। পণ্ডিত জিজ্ঞাসা করিলেন, ইহাতে ভবিষ্যতে আপনার কি উপকার হইবে । রামমোহন রায় উত্তর করিলেন, আমার বিলাত যাই: বার ইচ্ছা আছে ; সমুদ্রে বাতাস হইলে জাহাজ অত্যন্ত আলোनिउ श्ञ ; cनहे भांटकांनान श्रारज्ञांशिशिtशंद्र नषूण नैौड़ (Seasickness) বলিয়া এক প্রকার পীড়া উপস্থিত হয়। এইরূপ দোলনায় দোলায়মান হওয়া অভ্যাস থাকিলে উক্ত সমুদ্রপীড় হওয়ার সম্ভাবনা অল্প । স্ত্রীলোকদিগের প্রতি তাহার ব্যবহার অতি চমৎকার ছিল । স্ত্রীজাতিকে তিনি অত্যন্ত সমাদর করিতেন। তাহার একজন অস্ট্রিীয় বলেন যে, তিনি যখন বসিয়া থাকিতেন, তখন কোন স্ত্রীলোককে তিনি তাহার সহিত দাড়াইয়া কথা বলিতে দিতেন ना। इछ, जैौरनाकप्रैौट्रू बनाहेरङन, नङ्कवा निरंछ न७iब्रभान হইয়। তাহার সহিত কথা কহিতেন। পাঠকবর্গ অবগত হইয়াছেন যে তিব্বত দেশে স্ত্রীজাতির দ্বারায় তাহার প্রাণ রক্ষা হইয়াছিল। সেই অবধি স্ত্রীজাতির প্রতি তাহর প্রগাঢ় শ্রদ্ধা ছিল । কি ভারতবর্ষে, কি তিব্বত দেশে, কি ইংলওে, বালো, যৌবনে,