পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পূৰ্ব্বপুরুষ, মাতাপিতা ও বাল্যকাল। ২১ তিব্বং বাসীগণ লামা উপাধিধারী জীবিত মনুষ্যবিশেষকে এই বিশাল ব্ৰহ্মাণ্ডের স্বষ্টিকৰ্ত্ত বলিয়া বিশ্বাস করে। লামার মৃত্যু তাহার। কতকৃগুলি বিশেষ লক্ষণক্ৰান্ত একটী বালককে তাহার পদে প্রতিষ্ঠিত করে। মনে করে যে, লামা এক শরীর পরিত্যাগ পূৰ্ব্বক শরীরান্তর গ্রহণ করিয়াছেন মাত্র। তিব্বৎ দেশে অবতারবাদ পরাকাষ্ঠী প্রাপ্ত হইয়াছে। যে রামমোহন রায় পৌত্তলিকতার প্রতিবাদ করিয়া পিতৃগৃহ হইতে বিদূরিত হইয়াছেন, তাহার উহা সহ হইবে কেন ? তিনি সেই বন্ধুবিহীন দেশে মধ্যে মধ্যে অকুতোভয়ে এই ভয়ানক কুসংস্কারের প্রতিবাদ করিতেন। তদেশবাসী পুরুষগণ এই ধৰ্ম্ম-বিরুদ্ধ কার্য্যের জন্য র্তাহার প্রতি যারপর নাই ক্রুদ্ধ হইত, এবং তাহাকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে অগ্রসর হইত। কিন্তু তিনি কোমল-হৃদয় রমণীকুলের বিশেষ স্নেহপাত্র ছিলেন, তাহারাই তাহাকে এই সকল বিপদ হইতে রক্ষা করিত। রাজা রামমোহন রায় চিরদিন নারীজাতির পক্ষপাতী ছিলেন। র্তাহার পুস্তকে, বন্ধুবান্ধব-সন্নিধানে, স্বদেশে বা বিদেশে তিনি নারী-চরিত্রের মহত্ত্ব কীৰ্ত্তন করিতেন। তিব্বৎসিনী রমণীগণের সদ্ব্যবহার তাহার তরুণহৃদয়ে এই নারীত্ত্বির বীজ বপন করিয়া দেয়। কুমারী কাপেন্টর বলেন, রামমোহন রায়ের মুকোমল স্নেহ-প্রবণ হৃদয় চল্লিশ বৎসর ও অত্যন্ত আগ্রহের সহিত এই সময়ের ঘটনা সকল । রণ করিত। তিনি ( রামমোহন রায় ) নিজে বলিয়াযে, তিব্বতবাসী রমণীগণের সস্নেহ ব্যবহারের জন্য