পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৪ মহাত্মা রাজ রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। সম্পূর্ণরূপে নিস্কৃতি লাভ করিতে পারে না, পুরাবৃত্ত তদ্বিষ৷ে উচ্চৈঃস্বরে সাক্ষ্যদান করিতেছে। রামমোহন রায়ের জীবন এ নিয়মের ব্যতিক্রমস্থল নহে। তাহার জীবনেও বহুবিবাহরূপ কলঙ্কস্পর্শ হইয়াছিল; কিন্তু অল্পবয়সে পিত্রাদেশে যাহা ঘটিয়া ছিল, তজ্জন্ত র্তাহাকে দোষ দেওয়া উচিত নহে। ! পিতা কর্তৃক পুনৰ্ব্বৰ্জন । বিদেশ হইতে প্রত্যাগমনের পর রামমোহন রায় অত্যন্ত পরিশ্রমসহকারে একাগ্রচিত্তে সংস্কৃত শাস্ত্রের চর্চায় প্রবৃত্ত হই লেন। এই সময়ে তিনি বেদ, স্মৃতি, পুরাণ প্রভৃতি শাস্ত্রে অল্প কালের মধ্যে আশ্চৰ্য্য ব্যুৎপত্তি লাভ করিয়াছিলেন। তি:ি যে হিন্দুশাস্ত্রসিন্ধু মন্থন পূর্বক ব্ৰহ্মজ্ঞানরূপ অমূল্য রত্ব উদ্ধা করিয়াছিলেন, এই সময় হইতেই প্রকৃষ্টরূপে তাহার আয়োজন করিতেছিলেন। এক্ষণে মধ্যে মধ্যে র্তাহার পিতার সহিত তর্ক বিতর্ক হইত। এই সকল তর্ক বিতর্কে রামকান্ত রা: পুত্রের মনের ভাব বুঝিতে পারিয়া যার পর নাই দুঃখিত হইতেন কিন্তু তিনি তজ্জন্ত কখন স্পষ্টভাবে তাহাকে তিরস্কার করিতেন না। সময়ে সময়ে কথাপ্রসঙ্গে প্রকারান্তরে তাহার প্রতি বিরাগ প্রদর্শন করিতেন মাত্র। রামকান্ত রায় মনে করিয়াছিলেন যে, তিন চারি বৎসর বিদেশে অসহায় অবস্থায় বহুকষ্ট পাও য়াতে রামমোহন রায়ের যথেষ্ট শিক্ষা হইয়াছে ; তিনি এখন শান্ত শিষ্ট হইয়া সাংসারিক সুখে মন দিবেন, পৈতৃক ধৰ্ম্মের বিরুদ্ধে আর বাঙ নিস্পত্তি করিবেন না। কিন্তু তাহার সে