পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২৯৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२$२ পরিশিষ্ট । মেন্টের কাৰ্য্যের সমালোচনা করিয়া প্রবন্ধ প্রকাশ করাতে তৎকালীন প্রতিনিধি গভর্ণর জেনারেল ঐযুক্ত আড্যাম সাহেব তাহাকে এদেশ পরিত্যাগ করিতে আদেশ করেন ; এতদ্ভিন্ন ছ ১৮২৩ সালের ১৪ই মার্চ দিবসে এদেশীর মুদ্রাযন্ত্রের স্বাধীনত খৰ্ব্ব করিবার জন্য একটা ব্যবস্থা প্রচার করেন। পালেমেন্টের প্রচারিত আইন অমুসারে তখন এইরূপ নিয়ম ছিল যে, যতদিন পৰ্য্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট গ্রাহ না করিতেন, ততদিন গভর্ণর জেনা রেলের কোন ব্যবস্থা আইন বলিয়া গণ্য হইত না । যাহাতে গভ র্ণর জেনারেলের ব্যবস্থা সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃক গ্রাহ্য না হয় তজষ্ঠ তৎকালীন সুপ্রিমকোর্টের একজন কৌন্সিলি ঐযুঃ ফারগুলান লাহেব বাকিংহ্যাম লাহেবের পক্ষ সমর্থন করেন সুপ্রিমকোর্টের জজ সার ফ্যানসিস ম্যানেটনের নিকটে বিচার হইয়াছিল। এই সময়ে, অর্থাৎ ১৮২৩ সালের ৩১শে মাচ্চ দিবসে, একটা আবেদন পত্র রেজিষ্ট্রারের দ্বারা আদালতে সম্মুখে পঠিত হইয়াছিল। স্বগ্রিমকোর্ট গভর্ণর জেনারেলে ব্যবস্থা গ্রাঙ্ক করিলেন । এই ঘটনায় রামমোহন রায় একখানি আবেদন পত্র রচনা করিয়া ইংলণ্ডাধিপতি চতুর্থ জর্জের নিক৷ে প্রেরণ করেন। উহাতে অনেক সম্রাপ্ত ব্যক্তি স্বাক্ষর করিয়. ছিলেন। - অশুদ্ধ শোধন । ১৮৬ পৃষ্ঠার ২০ লাইনে”কার সাহেব" না হইয়া সাঙ্গারল্যাং সাহেব হইবে। অষ্টম অধ্যায়ের প্রথমের নোটে মন্ত্ৰী' শৰে शरन सक प्रधानववांशे इश्व।,