পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গৃহপ্রত্যাগমন, শাস্ত্রচর্চা, পুনৰ্ব্বৰ্জন ও বিষয়কৰ্ম্ম। ২৫ জাশ নিন্মুল হইয়াছিল। রামমোহন রায় সাহসের সহিত সকল প্রকার কুসংস্কার ও কুপ্রথার বিরুদ্ধে দণ্ডায়মান হওয়াতে তিনি পুনৰ্ব্বার তাহাকে গৃহহইতে বিদূরিত করিয়া দিলেন। কিন্তু কিছু কিছু অর্থসাহায্য প্রদান করিতেন।~ পিতৃবিয়োগ, পিতৃসম্পত্তি, মোকদমা ও ফুলঠাকুরাণী । রামকান্ত রায় ১৭২৫ শকে, বাঙ্গালা ১২১০ সালে, ইহলোক পরিত্যাগ করেন। রামমোহন রায়ের একজন জীবনীলেখক বলেন, “রামকান্ত রায় মৃত্যুর দুই বৎসর পূৰ্ব্বে আপনার সমুদয় সম্পত্তি তিন পুত্রের মধ্যে বিভক্ত করিয়া দেন।” কিন্তু রামমোহন রায় পিতার মৃত্যুর অনেক দিন পর পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তি গ্রহণ করেন নাই । বৰ্দ্ধমানের মহারাজ তেজৰ্চাদ বাহাদুর, ১৮২৩ খৃঃ অব্দে কিস্তিবন্দি বন্ধকের পাওনা টাকার জন্য, কলি কাতা প্রভিনৃষ্ঠাল কোর্টে তাহার নামে নালিস করেন। তিনি তাহার এই উত্তর দেন যে, তিনি পৈতৃক বিষয় গ্রহণ করেন নাই | বলিয়া হিন্দুব্যবস্থাশাস্ত্রানুসারে পিতৃপ্পণের জন্য দায়ী নহেন। কোন কোন ব্যক্তির এ প্রকার সংস্কার আছে যে, পিতৃঋণের জন্য দায়ী হইতে হইবে বলিয়া অথবা অন্ত কোন কারণে, তিনি পিতৃসম্পত্তি আদবেই গ্রহণ করেন নাই। একথা সত্য নহে। তাহার বন্ধু আডাম সাহেব তাহার মৃত্যুর কিছুকাল পরে, তাহারবিষয়ে বিলাতে যে বক্তৃত করেন, তাহাতে তিনি স্পষ্ট বলিয়া-" | ছেন যে, রামমোহন রায় প্রকাগুরূপে পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে ৩