পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*৬ মহাত্মা রাজ রামমোহন রায়ের জীবনচরিত । দণ্ডায়মান হওয়াতে তাহার জননী তাহাকে বিধৰ্ম্মী বলিয়া তৎকালীন আইনানুসারে, তাহাকে সম্পত্তিচু্যত করিবার জন্ত সুপ্রিমকোটে মোকদম উপস্থিত করেন। রামমোহন রায় এই মোকদ্দমায় জয়লাভ করিয়াছিলেন। তিনি আপনাকে । বিধৰ্ম্মী বলিয়া কখনই স্বীকার করেন নাই। তাহার প্রতিপক্ষগণও র্তাহাকে বিধৰ্ম্মী বলিয়া আদালতে প্রমাণ করিতে পারেন নাই। পাঠকবর্গের স্মরণ আছে যে, উপক্ৰমণিকায় তাহার যে প্রত্ৰখানি অনুবাদিত হইয়া প্রকাশিত হইয়াছে, তাহাতে তিনি বলিতেছেন ; “আমার সমস্ত তর্ক বিতর্কে আমি কখন হিন্দুধৰ্ম্মকে আক্রমণ করি নাই। উক্ত নামে যে বিকৃত ধৰ্ম্ম এক্ষণে প্রচলিত, তাহাই আমার আক্রমণের বিষয় ছিল ;"| ইত্যাদি । i রাজা রামমোহন রায়ের পৈতৃক বিষয়াধিকার সম্বন্ধে তাহার প্রদৌহিত্র আর্য্যদর্শন পত্রে লিখিয়াছেন ;—“প্রচলিত আইনানুসারে যদিও তিনি পিতৃধনের সম্পূর্ণ অধিকারী, তথাপি পার্থিবমুখে বীতরাগ বিনয়ী রামমোহন, আত্মীয় স্বজনের মনে কষ্ট দিয়া স্বহস্তে সমস্ত গ্রহণ করিতে বিরত হন। যাহা হউক, সকলই পূর্বের দ্যায় এখনও তাহার মাতার অধীনে রহিল। তিনি জমিদারী কাৰ্য্য প্রভৃতি স্বহস্তে গ্রহণ করিয়া অতি সুচারুরূপে কাৰ্য্য সম্পাদন করিতে লাগিলেন । এদেশীয় জমিদার কাৰ্য্যনিচয় যেরূপ জটিল ও তাহাতে যেরূপ স্বল্প বুদ্ধির প্রয়োজন, তাহাতে স্ত্রীলোকের কথা দূরে থাকুক, অনেক সময় কর্ত পুরুষকে ব্যতিব্যস্ত হইতে হয়। এরূপ অবস্থায় একট বঙ্গীয়