পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গৃহপ্রত্যাগমন, শাস্ত্রচর্চা, পুনৰ্ব্বৰ্জন ও বিষয়কৰ্ম্ম । ২৭ স্ত্রীলোকের পক্ষে বিধিমত কাৰ্য্য সম্পাদন কতদূর কঠিন বিষয় বলা যায় না। কথিত আছে, ফুলঠাকুরাণী গৃহদেবদেবী রাধাগোবিন্দ ও অসংখ্য শালগ্রাম সম্মুখে রাখিয়া জমিদারী কাৰ্য্য সকল পৰ্য্যবেক্ষণ করিতেন।” পিতার মৃত্যুর পর তিনি পুনৰ্ব্বার গৃহে আসিয়া বাস করিলেন। র্তাহার জ্ঞানামুরাগ তখনও সমভাবে প্রবলছিল । শাস্ত্রাধ্যয়নে তাহার আশ্চৰ্য্য আসক্তি দেখিয়া পরিবারস্থ ও অন্যান্ত আত্মীয়বর্গ অবাক্ হইয়াছিলেন। পাঠাসক্তি বিষয়ে গল্প । তাহার পাঠাসক্তি সম্বন্ধে রায়বংশীয়দিগের মধ্যে একটি গল্প প্রচলিত আছে। একদিন তিনি প্রাতঃস্নান পূৰ্ব্বক একটি নির্জনগৃহে বসিয়া সংস্কৃত বাল্মীকী রামায়ণ অধ্যয়ন করিতে লাগিলেন। পূৰ্ব্বে কখন তিনি উক্ত গ্রন্থ পাঠ করেন নাই, সুতরাং বিশেষ আগ্রহাতিসহকারে পাঠারম্ভ করিলেন । ক্রমে অধিক বেলা হইল; দুই প্রহর অতীত হইয়া গেল, অথচ র্তাহার পাঠ সমাপ্ত হইল না। পরিবারবর্গকে তিনি বিশেষ করিয়া নিষেধ করিয়া দিয়াছিলেন যে, কেহ যেন কখন তাহার পাঠের ব্যাঘাৎ উপস্থিত না করে। আহারের সময় উত্তীর্ণ হইয়া যায়, অথচ কাহারও সাহস হইল না যে, গম্ভীরপ্রকৃতি রামমোহনের তপোবিঘ্ন উৎপাদন করেন। ক্রমে ক্রমে সকলেইআহার করিলেন, রামমোহন অধ্যয়নে নিমগ্ন। বেল তৃতীয় প্রহর অতিক্রান্ত হইল। পুত্র অনাহার থাকিতে জননী ফুল