পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৮ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। ঠাকুরাণী কেমন করিয়া আহার করেন ? তখন রামমোহন রায়ের বিশেষ শ্রদ্ধাভাজন রাধানগর নিবাসী একব্যক্তি সাহস পূর্বক তাহার গৃহদ্বার ঈষৎ উন্মুক্ত করিলেন। রামমোহন রায় বুঝিতে পারিয়া আর একটু প্রতীক্ষা করিবার জন্য র্তাহাকে ইঙ্গিত করিলেন। কিয়ৎক্ষণ পরেই পাঠ সাঙ্গ করিয়া আহারাদি করিলেন। কথিত আছে, তিনি এই এক দিনের মধ্যে একাসনে সপ্তকাও রামায়ণ পাঠ শেষ করিয়াছিলেন। সতীদাহ নিবারণের প্রতিজ্ঞ । মহাজনগণের জীবন-বৃত্তান্ত পাঠ করিলে দেখা যায় যে, এক একটি ঘটনায়, (হয় তো অতি সামান্য কোন ঘটনায় ) অনেক সময়ে তাহদের জীবন সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হইয়৷ যায়। বিধাতার অঙ্গুলি সেই সকল ঘটনার মধ্য দিয়া তাহাদিগকে নূতন সত্য ও কর্তব্যপথ প্রদর্শন করে। জীবনে শত শত দিন কেনা শ্মশানে শব লইয়া যাইতে দেথে ? কিন্তু কপিলবস্তুর রাজকুমার উহা দেখিয় সিংহাসন চরণে ঠেলিয়া সন্ন্যাস অক লম্বন পূর্বক অৰ্দ্ধজগদ্ব্যাপী অক্ষয়কীৰ্ত্তি স্থাপন করিয়া গিয়াছেন। পৃথিবীতে শত শত লোক কি বজ্রাঘাতে মৃত্যু দেখে নাই ? কিন্তু লুথর তজ্জন্তই সংসারে জলাগুলি দিয়া ধৰ্ম্মের আশ্রয় গ্রহণ করিয়াছিলেন। কোন শিশু ন ক্ষুদ্র ইতর জন্তুদিগকে প্রহার করে ? কিন্তু চারি বৎসর বয়স্ক থিওডোর পার্কার একটি কুৰ্ম্মকে মারিতে গিয়া বিবেকের গুঢ় কাৰ্য্য দেখিতে পাইলেন। সেইরূপ রামমোহন রায়ের সময়ে চিতানলে জীবিত সতীর মৃত্যু