পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গৃহপ্রত্যাগমন, শাস্ত্রচর্চা, পুনৰ্ব্বজ্জন ও বিষয়কৰ্ম্ম। ২৯ কেনা দেথিত ? কিন্তু তন্মধ্যে তিনিই একটি সহমরণব্যাপার স্বচক্ষে দেখিয়া প্রতিজ্ঞা করিলেন যে, যতকাল র্বাচিবেন, এই ভয়ঙ্কর প্রথা সমুলোৎপাটত করিবার জন্য প্রাণপণে যত্ন করিবেন । তিনি র্তাহার জ্যেষ্ঠভ্রাতা জগন্মোহনের স্ত্রীর সহমরণ দেখিয়াছিলেন। “চিতনল ধৃ ধূ করিয়া জলিতেছে, সহগামিনী স্ত্রীর আর্তনাদ যাহাতে কাহারও কর্ণে প্রবিষ্ট না হয়, তজ্জন্ত প্রবল উদ্যমে বাদ্যভাও বাজিতেছে, সে প্রাণভয়ে চিতা হইতে গাত্ৰোখান করিবার চেষ্টা করিতেছে, কিন্তু স্বজনের তাহার বক্ষে বাশ দিয়া চাপিয় রাখিতেছে ; এই সকল নির্দয় ও নিষ্ঠুর কাও দেখিয়া রামমোহন রায়ের চিত্তে দয়া উদ্বেলিত হইয়া উঠিল, এবং তদবধি তিনি প্রতিজ্ঞ করিলেন যে, যে পৰ্য্যন্ত না সহমরণ প্রথা রহিত হয়, সে পৰ্য্যন্ত তন্নিবারণের চেষ্ট হইতে তনি কখনই বিরত হইবেন না।”* ইংরেজী শিক্ষা । যে সকল গুণ ও ক্ষমতা থাকিলে নবাব সরকারে কৰ্ম্ম পাওয়া যায়, রামকান্ত রায় পুত্রকে তদুপযোগী শিক্ষাই প্রদান করিয়াছিলেন। তাহার পিতৃপিতামহ সকলেই নবাব সরকারে কাৰ্য্য করিয়াছিলেন, সুতরাং তাহীর পক্ষে ঐ প্রকার করাই স্বাভাবিক। বিশেষতঃ সে সময়ে আদালতে পারস্ত ভাষা চলিত ছিল। ১৭৭৪ সালে মুপ্রিমকোর্ট সংস্থাপিত হওয়া অবধি ইংরেজীর চর্চা আরম্ভ হয় বটে, কিন্তু যে সময়ের কথা বলা হইতেছে, * রামমোহন রায়ের স্মরণার্থ সভায় শ্ৰীযুক্ত রাজনারায়ণ বঙ্গ মহাশয়ের বক্তৃত।