পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গৃহপ্রত্যাগমন, শাস্ত্রচর্চা, পুনৰ্ব্বৰ্জন ও বিষয়কৰ্ম্ম।। ৩১ এতদপেক্ষা শতগুণে শোচনীয় অবস্থা ছিল। সে সময়ে জজের ও কালেক্টরের সেরেস্তাদারি (তখন দেওয়ানি বলিত) দেশীয়দিগের পক্ষে উচ্চতম পদ বলিয়া নির্দিষ্ট ছিল। সুতরাং রামমোহন রায়ের ভাগ্যেও তদপেক্ষ উচ্চতর পদ জুটে নাই। কিন্তু তাহাও তিনি একেবারে পান নাই। দেওয়ানি পাইবার আশায় প্রথমে তাহাকে সামান্য কেরাণীর কৰ্ম্ম স্বীকার করিতে হইয়াছিল । সিবিলিয়ানদিগের মধ্যে অনেকে আমলাদিগের প্রতি যে প্রকার অন্তায় ব্যবহার করিয়া থাকেন, তাহ সাধারণের অবিদিত নাই। র্তাহারা ভদ্র সস্তানের প্রাপ্য ন্যায্য সম্মান লাভ করা দূরে থাকুক, কখন কখন গে৷ অশ্বের ষ্ঠায় ব্যবহৃত হইয়া থাকেন। কিন্তু ইহা যে কেবল সাহেবদিগের দোষ, এমন বোধ হয় না। আমাদিগের স্বদেশীয় যে সকল ভ্রাতৃগণ আমলার কাৰ্য্য করিয়া থাকেন, তাহদের মধ্যে অনেকের ব্যবহার যে প্রকার নিন্দনীয় তাহাতে সহজেই তাহারা প্রভূর অশ্রদ্ধাভাজন হন ; সুতরাং উপযুক্ত সম্মানলাভে বঞ্চিত হন। আমলার যদি আপনার সন্মান আপনি রক্ষা করিয়া চলিতে জানিতেন; যদি তাহারা স্বাধীন চিত্ত ও সত্যপ্রিয় হইতেন, তাহা হইলে সকল স্থলে না হউক, অনেক স্থলেই সিভিলিয়ান্‌ সাহেবের র্তাৰাদের প্রতি যথাযোগ্য ব্যবহার করিতে বাধ্য হইতেন। এখন অবস্থা অনেক ভাল হইয়াছে। রামমোহন রায়ের সময়ে .. অনেক স্থলেই আমলা ও সিবিলিয়ান সাহেবের সম্বন্ধ অতি• জঘন্ত ছিল। এক দিকে তোষামোদ, হীনতা ও অসত্য-প্রিয়তl;