পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গৃহপ্রত্যাগমন, শাস্ত্রচর্চা, পুনৰ্ব্বৰ্জন ও বিষয়কৰ্ম্ম।। ৩৩ পাইতে লাগিলেন, ততই তাহার প্রতি আকৃষ্ট হইতে লাগিলেন। রামমোহন রায়ও ডিগবি সাহেবের ভদ্রতা ও অন্যান্ত সদগুণ দেখিয় তাহাকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করিতে লাগিলেন। ক্রমে পরম্পরের মধ্যে প্রগাঢ় বন্ধুতা জন্মিল। মৃত্যু পৰ্য্যন্ত সেই বন্ধুত৷ স্থায়ী হইয়াছিল। র্তাহারা উভয়ে মিলিয়া ইংরেজী ও দেশীয় সাহিত্যের চর্চা করিতেন, এবং তদ্বিষয়ে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করিতেন। রংপুরে ব্ৰহ্মজ্ঞান প্রচার। রংপুরে বিষয় কৰ্ম্ম উপলক্ষে অবস্থিতি কালেও তিনি আপনীর জীবনের প্রধান কাৰ্য্য বিস্তৃত হন নাই। সন্ধ্যার পর আপনার বাসা-বাটতে ধৰ্ম্মালোচনার জন্য সভা আহ্বান করি তেন। সভাস্থ ব্যক্তিবর্গকে পৌত্তলিকতার অসারত্ব ও ব্রহ্মজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা বুঝাইয়া দিতেন। তত্ৰত্য মারোয়ারী বণিকৃদিগের মধ্যে অনেকে সভার সভ্য হইয়াছিল। এই সকল মারোয়ারীগণের জন্ত তাহাকে কল্পস্বত্র প্রভৃতি জৈনধৰ্ম্ম সংক্রান্ত গ্রন্থ অধ্যয়ন করিতে হইয়াছিল। শীঘ্রই তাহার একজন প্রতিদ্বন্দ্বী হইল। ইনি তত্ৰত্য জজ আদালতের দেওয়ান ছিলেন। তিনি পারস্ত ও সংস্কৃত ভাষায় সুপণ্ডিত ছিলেন। ইহাঁর নাম গৌরীকান্ত ভট্টাচাৰ্য্য। ইনি রামমোহন রায়ের বিরুদ্ধে “জ্ঞানাঞ্জন” নামে একখানি বাঙ্গালা পুস্তক লেখেন। উহা সংশোধিত হইয়া বাঙ্গালা ১২৪৫ সালে (ইং ১৮৩৮ সালে ) কলিকাতায় প্রকাশিত হয়। ঐ পুস্তকখানিতে জানিতে পারা