পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


e৪ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। যায় যে, রামমোহন রায় রংপুরে পারসি ভাষায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পুস্তক রচনা করিয়াছিলেন, এবং বেদান্তের কিয়দংশ অনুবাদ করিয়াছিলেন। অনেক লোক গৌরীকান্ত ভট্টাচার্য্যের অনুগত ছিল ; তিনি তাহাদিগকে রামমোহন রায়ের বিরুদ্ধাচারী হইতে পরামর্শ দিতেন। কিন্তু তিনি সে বিষয়ে কৃতকাৰ্য্য হইতে পারেন নাই । ইংরেজী শিক্ষার উন্নতি । রামমোহন রায় তাহার প্রণীত বেদান্তের ও কেনোপনিযদের চূৰ্ণক ইংরেজী ভাষায় অনুবাদ করিয়া প্রকাশ করেন। ডিগ্রিসাহেবের সম্পাদকীয়তায় উহ! প্রকাশ হয়। সাহেব উক্ত পুস্তকের ভূমিকায় রামমোহন রায় সম্বন্ধে লিখিয়াছেন – “বাইশ বৎসর বয়সে তিনি প্রথমে ইংরেজী শিক্ষা আরম্ভ করেন। কিন্তু মনোযোগ পূৰ্ব্বক শিক্ষা না করাতে পাচ বৎসর পরে যখন আমার সহিত র্তাহার আলাপ হইল, তখন সামান্ত সামান্ত বিষয়ে তিনি ইংরেজীতে কথা বলিলে বোধগম্য হইত মাত্র। কিন্তু উক্ত ভাষা কিছুমাত্র শুদ্ধরূপে লিখিতে পারিতেন না। যে জিলায় আমি ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির সিবিল সরভিসে পাঁচ বৎসর কালেক্টর ছিলাম, তথায় তিনি পরিশেষে দেওয়ান, অর্থাৎ করসংগ্রহ বিষয়ে প্রধান দেশীয় কৰ্ম্মচারীরূপে নিযুক্ত হইয়াছিলেন। আমার চিঠি পত্র সকল মনোযোগপূৰ্ব্বক পাঠ করিয়া এবং ইয়োরোপীয় ভদ্রলোকদিগের সহিত পত্রাদি লিখিয়া ও আলাপ করিয়া তিনি ইংরেজী ভাষায় এ প্রকার বিশুদ্ধ জ্ঞান লাভ করিয়াছিলেন যে, বিলক্ষণ শুদ্ধ