পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গৃহপ্রত্যাগমন, শাস্ত্রচর্চা, পুনৰ্ব্বৰ্জন ও বিষয়কৰ্ম্ম।। ৩৫ পে ইংরেজী বলিতে ও লিখিতে পারিতেন। উক্ত ভূমিকায় উৰ্থিসাহেব আরও বলিয়াছেন যে, ইয়োরোপীয় সংবাদ পত্র পাঠ করা রামমোহন রায়ের অভ্যাস ছিল। তিনি ফ্রান্স প্রভৃতি দশের রাজনৈতিক ঘটনার বিষয় পড়িতে অধিক ভালবাসিতন। নেপোলিয়ান বোনাপার্টির ক্ষমতা ও বীরত্বের অতিশয় প্রশংসা করিতেন, এবং তাহার পতন হইলে তিনি একান্ত দুঃখিত হইয়াছিলেন। কিন্তু দুঃখের প্রথম বেগ চলিয়া গেলে তাহার মনের ভাব পরিবর্তিত হয়। তিনি শেষে বলিয়াছিলেন যে, নেপোলিয়ানকে তিনি পূৰ্ব্বে যেমন প্রশংসা করিতেন, এখন হইতে সেইরূপ অশ্রদ্ধা করিবেন। কৰ্ম্মত্যাগ । রামমোহন রায় ১৮০০ সাল হইতে ১৮১৩ সাল পর্য্যন্ত গবর্ণমেন্টের চাকুরি করিয়াছিলেন। তন্মধ্যে দশবৎসর রংপুর, ভাগলপুর, রামগড় এই কয়েক জিলায় কালেক্টরের অধীনে দেওয়ানী কৰ্ম্মোপলক্ষে বাস করেন। রামগড় জিলায় অবস্থিতিকালে তিনি সহরঘাটিতে বাস করিতেন। ছোটনাগপুরের অন্তর্গত চাতরা হইতে গয়া যাইবার পথে এই সহরঘাট । অবশেষে বিষয়কৰ্ম্ম হইতে অবস্থত হইলেন। 藝 একটা অপবাদ। দেওয়ানী কাৰ্য্য সম্বন্ধে রামনোহন রায়ের একটী ঘূর্ণাম আছে। কেহ কেহ বলেন যে, তিনি উৎকোচ গ্রহণ করিতেন । আমরা অনেক অনুসন্ধান করিয়াও একথার বিশ্বাসযোগ্য কোন