পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৪৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৪০ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। বৃদ্ধি করিয়াছিল। পরিশেষে আপনা আপনি সকল থামিয়া গেল । মাতাকর্তৃক তাড়িত হইয়া রঘুনাথপুরে গৃহনিৰ্ম্মাণ। বাহিরের লোকের উৎপাত থামিলে কি হয় ? এদিকে মাত ফুলঠাকুরাণী পুত্রের প্রতি দিন দিন বিরক্ত হইতে লাগিলেন । রামমোহন রায় লোককে প্রচলিত পৌত্তলিকতার অসারত্ব ও ব্রহ্মজ্ঞানের একান্ত প্রয়োজনীয়তা যতই বুঝাইতে লাগিলেন, ততই তাহার মাতার ক্রোধাগ্নি প্রজ্জ্বলিত হইয়া উঠিতে লাগিল। তিনি রামমোহন রায়ের পত্নীদ্বয় ও র্তাহার নব পুত্রবধূকে গৃহ হইতে দূর করিয়া দিবার সঙ্কল্প করিলেন। রামমোহন রায় ভাবিলেন যে, মাতার বাটার নিকটে গৃহ নিৰ্ম্মাণ করিয়া গ্রামেই সপরিবারে বাস করিবেন। কিন্তু সমস্ত কৃষ্ণনগর মাতার জমিদারী, সেখানে তিনি বিধৰ্ম্মী সন্তানকে স্থান দিবেন কেন ? ফুলঠাকুরাণী মনে করিয়াছিলেন, পুত্রকে সপরিবারে কৃষ্ণনগর হইতে বিদূরিত করবেন। কিন্তু তাহার ইচ্ছা পূর্ণ হয় নাই। রামমোহন রায় লাঙ্গুড় পাড়া পরিত্যাগ পুৰ্ব্বক তন্নিকটবৰ্ত্তীরঘুনাথপুরে এক শ্মশান ভূমির উপর বাট প্রস্তুত করেন। তাহার প্রদৌহিত্র আর্য্যদর্শন পত্রে লিথিয়াছেন যে, তিনি উক্ত বাটার সম্মুখে এক মঞ্চ নিৰ্ম্মাণ -পূর্বক উহার চতুঃপার্থে ‘ওঁ তৎসং একমেবাদ্বিতীয়ং এই কয়েকট বাক্য খোদিত করিয়াছিলেন। ঐ মঞ্চটী তাহার উপসনাস্থান ছিল। কেহ কেহ বলেন, তিনি কলিকাতা হইতে