পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫ম মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত । প্রকাশ করিতেন, অথচ গোপনে গোপনে তাহার অনিষ্ট চেষ্টার ক্রটি করিতেন না। এই শ্রেণীর জীব বর্তমান সময়েও সৰ্ব্বত্র যথেষ্ট পরিমাণে দৃষ্ট হইয়া থাকে। প্রচারার্থ অবলম্বিত উপায় । ধৰ্ম্মপ্রচার জন্য রামমোহন রায় চতুৰ্ব্বিধ উপায় অবলম্বন করিয়াছিলেন। প্রথম, কথোপকথন ও তর্কবিতর্ক ; দ্বিতীয়, বিদ্যালয় সংস্থাপনদ্ধার ও অন্য প্রকারে শিক্ষাদান ; তৃতীয়, পুস্তকপ্রচার ; চতুর্থ, সভাসংস্থাপন। বেদান্ত ও উপনিষদ প্রকাশ । রামমোহন রায় দেখিলেন যে, পুস্তকপ্রচার, সত্যপ্রচারের একটি প্রকৃষ্ট উপায়। অতএব তিনি ক্রমে ক্রমে ব্ৰহ্মজ্ঞানপ্রতিপাদক গ্রন্থ সকল নিজ ব্যয়ে মুদ্রিত করিয়া বিনা মূল্যে বিতরণ করিতে লাগিলেন। তিনি প্রথমে, ১৭৩৭ শকে, বেদান্ত স্বত্র বাঙ্গালা অনুবাদ সহিত প্রকাশ করিলেন। রাজা রামমোহনরায়ের গ্রন্থ প্রকাশক উক্ত গ্রন্থের বিষয়ে বলিয়াছেন ;-“ইহার অন্য নাম ব্রহ্মস্থত্র, শারীরিক মীমাংস বা শারীরিক স্বত্র। যাগ যজ্ঞাদি কৰ্ম্ম সমাপ্ত এই ভারতবর্ষে যদবধি ব্ৰহ্মজ্ঞান উদয় হইয়াছে, তদবধি আৰ্য্যদিগের মধ্যে ঐ কৰ্ম্ম ও জ্ঞানসম্বন্ধে একটি বাদামুবাদ চলিয়া আসিতেছে। ঋষিগণ ঐ দুই বিষয়ের বিস্তর বিচার করিয়া গিয়াছেন। কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন বেদব্যাস ব্ৰহ্মজ্ঞানপক্ষীয় ছিলেন । তিনি যে সকল বিচার করিয়াছিলেন, প্রচলিত ব্যাকরণের স্বত্রের তায় তিনি