পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কলিকাতা বাস । (t? ঐ সকল বিচারোদ্বোধক কতকৃগুলি স্বত্র রচনা করিয়া যান। বহুকালের পর শ্রীমৎ শঙ্করাচার্য্য সেই সকল সূত্রের অন্তর্নিহিত তাৎপৰ্য্য ব্যাখ্যা পূৰ্ব্বক ব্ৰহ্মতত্ত্ব ও ব্রহ্মোপাসনার উপদেশ পণ্ডিতমণ্ডলী মধ্যে প্রচার করেন। ঐ সকল স্বত্রে এবং শঙ্করাচার্য্য কৃত তাহার ব্যাখানে বা ভাষ্যে বেদব্যাসের সমস্ত ব্রহ্মবিচার প্রাপ্ত হওয়া যায়। মহাত্মা রাজা রামমোহন রায় উক্ত বেদাস্তস্বত্র গ্রন্থের ঐরূপ গৌরব ও মাহাত্ম্য প্রতীতি করিয়া প্রথমে ঐ গ্রন্থখানি বাঙ্গালা অনুবাদ সমেত প্রকাশ করেন। উহাতে ব্যাসমতে সমগ্ৰ বেদ ও সকল শাস্ত্রের মৰ্ম্ম ও মীমাংসা থাকাতে এবং সৰ্ব্বলোকমান্ত শঙ্করাচাৰ্য্য কৃত ভাষ্যে সেই সকল মৰ্ম্ম মুস্পষ্টরূপে বিবৃত থাকাতে রামমোহন রায়ের ব্রহ্মবিচার পক্ষে উহা ব্ৰহ্মাস্ত্রস্বরূপ হইয়াছিল। র্তাহার পূৰ্ব্বাপর এই লক্ষ্য ছিল যে, তিনি সকল জাতির সন্মানিত শাস্ত্রদ্বারাই প্রতিপন্ন করিবেন যে, একমাত্র নিরাকার ব্রহ্মোপাসনা সৰ্ব্বশ্রেষ্ঠ । এই জন্য তিনি ৫৫৮ সূত্রসমন্বিত সমগ্র বেদান্তসূত্রের উক্ত ভাষ্যসম্মত অর্থ ব্যাখ্যা করিয়া তাহ প্রচার করিলেন, এবং তৎসম্পর্কে আপনার যাহা বক্তব্য তাহ ঐ গ্রন্থের ভূমিক, অনুষ্ঠান ইত্যাদি নামে প্রকাশ করিলেন। বেদব্যাস কৃত বেদান্ত ব্যাখ্যান কেহ অগ্রাহ করিতে পারেন না; সুতরাং এই সম্পর্কে তৎকালীন পণ্ডিতমণ্ডলীর সহিত রামমোহন রায়ের বিচার চলিল। পরে তিনি যত বিচার - “ করিয়াছিলেন, তাহাতে এই বেদান্তস্থত্রের প্রমাণ সকল তাহার প্রধান অবলম্বনীয় ছিল। ১৭৩৭ শকে, রামমোহন রায়ের