পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫৮ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত । বস্তু থাইবেন অর্থাৎ কি অন্ন, কাহার অন্ন এমত বিচার করিবেন না। সৰ্ব্বপ্রকার অল্পাহারের বিধি জ্ঞানীকে আপৎকালে আছে। ইত্যাদি। যেখানে চিত্ত স্থির হয় সেইখানে উপাসনা করিতে পরিবে। মৃত্যুর ইতর বিশেষ নাই। ব্রহ্মজ্ঞানী জন্ম মৃত্যু ও হ্রাস বৃদ্ধি হইতে মুক্ত হয়েন।” , উপনিষদ প্রকাশ । ."বেদান্তস্বত্র” ও “বেদান্তসার” প্রকাশ করিয়া তিনি পাচখানি উপনিষদ বাঙ্গালা অনুবাদ সহিত মুদ্রিত ও প্রচারিত করিলেন, তন্মধ্যে সামবেদের অন্তর্গত তলবকার উপনিষৎ প্রথম প্রকাশ করেন। তলবকারের অপর নাম কেনোপনিষৎ; ১৭৩৮ শকের ১৭ই আষাঢ় ইহা প্রথম প্রকাশিত হয়। তৎপরে ১৭৩৮ শকের ৩১এ আষাঢ় যজুৰ্ব্বেদীয় ঈশোপ নিষৎ প্রকাশ করিলেন; ইহার অপর নাম বাজসনেয় সংহিতো পনিষৎ। বেদান্তহুত্রের ষ্ঠায় তিনি ইহারও একটা ভূমিকা ও অনুষ্ঠান লিখিয়াছিলেন। উক্ত ভূমিকাতে তিনি শাস্ত্রীয় প্রমাণ ও যুক্তি সহকারে প্রতিপন্ন করিয়াছেন যে, ব্রহ্মোসনাই শ্ৰেষ্ঠ সাধন ও মুক্তির একমাত্র কারণ। র্তাহার বিপক্ষগণকে লক্ষ্য করিয়া বলিয়াছেন যে, এই সকল গ্রন্থ আদ্যোপান্ত পাঠ না করিয়া কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া উচিত নহে; এবং • শাস্ত্রসিদ্ধ মতকে ব্যক্তিবিশেষের মত বলিয়া অগ্রাহ করাও তৃত্যস্ত অদ্যায়। ১২২৪ সালের ১৬ই ভাদ্র, যজুৰ্ব্বেদীয় কঠোপনিষৎ বাঙ্গাল