পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কলিকাতা বাস । も為 যে যাহার বিশেষ বোধাধিকার এবং ব্রহ্মজিজ্ঞাসা, নাই সেই ব্যক্তিই কেবল চিত্তস্থিরের জন্ত কাল্পনিকরুপে উপাসনা করিবেক ; আর যিনি বুদ্ধিমান ব্যক্তি তিনি আত্মার শ্রবণ মননরূপ উপাসনা করিবেন। শাস্ত্র মানিলে সৰ্ব্বত্র মানিতে হয়।” গোস্বামীর সহিত বিচার । ভট্টাচার্য্যেয় পর এক চৈতন্ত্যভক্ত গোস্বামী রামমোহন রায়ের বিরুদ্ধে পুস্তক প্রচার করেন। রামমোহন রায়, ১২২৫ সালের ২রা আষাঢ়, উহার উত্তরপুস্তক প্রকাশ করিলেন ; উক্ত - গ্রন্থে প্রতিপন্ন হইয়াছে যে, বেদার্থনির্ণয়পক্ষে শ্রুতি স্কৃতিরই প্রাধান্ত ; ভাগবতশাস্ত্র যথার্থ বেদার্থনির্ণায়ক নহে। " গোস্বামীর সহিত বিচারে রামমোহন রায় শ্ৰীকৃষ্ণ সম্বন্ধে এই রূপ বলিতেছেন,—অন্য অপেক্ষা করিয়া বেদে পুরাণে শ্ৰীক্লষ্ণকে বাহুল্যরূপে কহিয়াছেন, এমত নহে; যেহেতু দশোপনিষৎ বেদন্তের মধ্যে কৃষ্ণ বিষয়ে ছন্দোগ্য উপনিষদে এই মাত্র কহেন। শ্রুতি। তদ্ধৈতন্দ্রঘোর আঙ্গিরসঃ কৃষ্ণায় দেবকীপুত্রায়াক্তে বাচাপিপাস এবস বভূব সোহস্তবেলায় মেতত্ৰয়ং প্রতিপদ্যেতাক্ষিত মলি অচ্যুতমসি প্রাণসংশিতমসীতি। অঙ্গিরসের বংশজাত ঘোর নামে যে কোন এক ঋষি, তেঁহ দেবকীপুত্র কৃষ্ণকে পুরুষ যজ্ঞ বিদ্যার উপদেশ করিয়া কহিয়াছেন যে, যে ব্যক্তি পুরুষ যজ্ঞকে জানেম তেহ মরণ সময়ে এই তিন মন্ত্রের যপ করিবেন। পরে কৃষ্ণ ঐ ঋষি হইতে বিদ্যা প্রাপ্ত হইয়া অন্য বিদ্যা হইতে নিম্পূহ হইলেন। এই শ্রুতির অনুসারে ভাগবতে