পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৭৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৭০ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। লিথিয়াছেন। ১০ম স্কন্ধে। ৬৯ অধ্যায়ে নারদ কৃষ্ণকে এইরূপ দেখিতেছেন। কপি সন্ধ্যামুপালীনং জপন্তং ব্রহ্মবাগ যতং। তথা। ধ্যায়স্তমেকমাত্মানং পুরুষং প্রকৃতেঃ পরং ॥ ১৯ ॥ কোথায় সন্ধ্যা করিতেছেন, কোন স্থানে মৌন হইয়া ব্ৰহ্মমন্ত্র জপ করি তেছেন, কোথায় বা প্রকৃতির পর যে ব্যাপক এক পরমাত্মা, ; র্তাহার ধ্যান করিতেছেন, এমত রূপ কৃষ্ণকে নারদ দেখিলেন।” কবিতাকারের সহিত বিচার। তৎপরে কবিতাকারের সহিত বিচার। “এই বিচার গ্রন্থে প্রতিবাদীর আপত্তি এই ছিল যে, রামমোহন রায় বেদার্থের গোপন করিয়াছেন; তিনি শিব, বিষ্ণু ও ব্যাসাদি ঋষির অবমাননা করেন এবং ব্ৰহ্মজ্ঞানাভিমানী হয়েন ; গ্রন্থকার শাস্ত্রীয় প্রমাণ ও নিজের পূর্বের উক্তি প্রদর্শনদ্বারা ঐ সকল আপত্তি খণ্ডন করিয়াছেন। শকাব ১৭৪২, উক্ত গ্রন্থ প্রথম প্রকাশিত ठ्यूँ ।” সুব্রহ্মণ্য শাস্ত্রীর সহিত বিচার। সুব্রহ্মণ্য শাস্ত্রীর সহিত বিচার। “ইহা দেবনাগর অক্ষরে, সংস্কৃত ও হিন্দি ভাষায় এবং বাঙ্গাল অক্ষরে, সংস্কৃত ও বাঙ্গাল ভাষায়, এই চতুর্বিধরূপে মুদ্রিত হইয়াছিল। ইহাতে গ্রন্থকার প্রতিপন্ন করিয়াছেন যে, বেদাধ্যয়নাদি না থাকিলেও এবং বর্ণাশ্রমাচারাদি কৰ্ম্মহীন হইলেও লোকের ব্রহ্মবিদ্যাতে অধিকার ও পরমপদ প্রাপ্তি হইতে পারে।”