পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কলিকাতা বাস। । ৭৩ উচ্ছন্ন ডাহারা করিতে পারগ হয়েন এবং তন্ত্রোক্ত মন্ত্র গ্রহণ ও অনুষ্ঠান তাহদের বৃথা হইয়া পরমার্থ তাহাদের সৰ্ব্বথা বিফল হয়। খাদ্যাখাদ্য ও গম্যাগম্য শাস্ত্র প্রমাণে হয় । গো শরীরের সাক্ষাৎ রস যে দুগ্ধ, সে শাস্ত্রবিহিত হইয়াছে ; অতএব খাদ্য নিষেধ প্রযুক্ত স্মাৰ্ত্ত মতাবলম্বীদের তাহ ভোজনে পাপ হয়। সেইরূপ স্মৃতির বচনে সত্য ত্রেতা দ্বাপরে ব্রাহ্মণে চতুবর্ণের কষ্ঠা বিবাহ করিয়া ও সস্তান জন্মাইয়াও পাতকী হইতেন না। সেইরূপ সাক্ষাৎ মহেশ্বরপ্রোক্ত আগম প্রমাণে সৰ্ব্বজাতি শক্তি শৈবোদ্বাহে গ্রহণ করিলে পাতক হয় না। এ সকল বিষয়ে শাস্ত্রই কেবল প্রমাণ। "যথা বয়োজাতিবিচারোত্র শৈবোম্বাহেন বিদ্যতে। অসপিণ্ডাং ভর্তৃহীনামুদ্বহেচ্ছন্তুশাসনাং”। ‘মহানিৰ্ব্বাণ । শৈব বিবাহে বয়স ও জাতি ইহার বিচার নাই ; কেবল সপিও না হয় এবং সভত্ত্বকা না হয় ; তাহাকে শিবের আজ্ঞাবলে শক্তিরূপে গ্রহণ করিবে ; কিন্তু যাহারা স্মাৰ্ত্ত মতাবলম্বী ও র্যাহাদের উপাসনামতে শৈব শক্তি গ্রহণ হইতে পারে না, অথচ যবনী কিম্বা মন্ত্যজ স্ত্রীতে গমন করেন, তাহারাই পূৰ্ব্বোক্ত স্মৃতি বচনের বিষয় হয়েন অর্থাৎ সেই সেই জাতিপ্রাপ্ত অবশুই হয়েন। শ্ৰীযুক্ত বাবু রাজনারায়ণ বস্থ কর্তৃক প্রকাশিত রাজারামমোহন রায়ের গ্রন্থাবলীর মধ্যে ৩২২ পৃষ্ঠায় পথ্যপ্রদান গ্রন্থে গ্রন্থকার এইরূপ লিখিতেছেন ;—“১৪৫ পৃষ্ঠের শেষে লিখেন যে, “কথন ভাক্ত তত্ত্বজ্ঞানী কখন বা ভক্তি বামাচারী” এবং ১৩০° পৃষ্ঠেও এইরূপ পুনঃ পুনঃ কথন আছে, কিন্তু ধৰ্ম্মসংস্থারকের ‘.