পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কলিকাতা বাস । ፃፃ সত্যের জয় হউক,” এই ভাবট মনে বদ্ধমূল থাকিলে অসহিষ্ণু হইবার সম্ভাবনা অল্পই থাকে। রামমোহন রায়, তাহার শিষ্য পরলোকগত চন্দ্রশেখর দেবকে বলিয়াছিলেন যে, ধৰ্ম্মবিষয়ে তর্ক বিতর্কের সময়, প্রতিপক্ষের মত ও ভাবকে আমাদের শ্রদ্ধ করা উচিত।* শাস্ত্রীয় বিচারে প্রবৃত্ত হইয়া রামমোহন রায় ক্রমে অনেক গুলি পুস্তক প্রকাশ করেন। আমরা পূৰ্ব্বে কয়েকখানির বিষয় বলিয়াছি ; এস্থলে আরও কয়েকখানির বিষয় উল্লেখ করিতেছি। : "ব্রহ্মনিষ্ঠ গৃহস্থের লক্ষণ”। 輸 গৃহস্থ ব্যক্তি ব্রহ্মোপাসক হইলে শাস্ত্রানুসারে তাহার কি প্রকার আচরণ হওয়া উচিত, এই পুস্তকে তাহাই লিখিত হইয়াছে। ইহা ১৭৪৮ শকে প্রথম মুদ্রিত হইয়াছিল। “গায়ত্র্যাপরমোপাসনাবিধানং’। এই গ্রন্থের মৰ্ম্ম এই যে, বেদপাঠ ব্যতীত কেবল গায়ত্রীজপদ্বারা ব্রহ্মোপাসনা হয়। ইহাতে অনেক শাস্ত্রীয় প্রমাণ প্রদত্ত হইয়াছে ; ইহা সংস্কৃত ও বাঙ্গালী উভয় ভাষায় লিখিত এবং ১৮২৭ খৃষ্টাব্দে ইহার একটা ইংরেজী অনুবাদও প্রকাশ হইয়াছিল। “গায়ত্রীর অর্থ’। এই পুস্তকখানি ভূমিকা ও গ্রন্থ এই দুই ভাগে বিভক্ত।

  • ১৭৯৪ শক, অগ্রহায়ণের তত্ত্ববোধিনী দেখ।