পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৮০ মহাত্মা রাজ রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। নবদ্বীপ, বিক্রমপুর, ভাটপাড়া, ত্রিবেণী, বংশবাটী প্রভৃতি স্থানে পুরাণ, স্কৃতি, ন্যায় প্রভৃতি শাস্ত্র অধীত হইত বটে, কিন্তু বেদ বেদান্তের কিছুমাত্র অনুশীলন ছিল না। বেদ মূলশাস্ত্র, সৰ্ব্বোপরি মান্ত, ইহা অবশ্যই হিন্দুমাত্রই স্বীকার করিতেন, কিন্তু বেদে কি আছে, তদ্বিষয়ে অতি অল্প লোকেরই প্রকৃত জ্ঞান ছিল। “রামমোহন রায়ের একজন অনুগত শিষ্য’ এবিষয়ে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় এইরূপ লিথিয়াছেন ;–“বহুদিবসাবধি বঙ্গ, দেশ্নে বেদের চর্চা উঠিয়া গিয়াছিল ; ব্রাহ্মণ পণ্ডিতের রামমোহন রায়ের নিকট হইতে বেদ বেদান্তের মন্ত্র, ব্রাহ্মণ, শ্লোক, স্বত্র ও ভাষা শুনিয়া একেবারে চমকিত হইয়া উঠিলেন। উপনিষদ হইতে রামমোহন রায় যে ভূরি ভূরি স্বমত পোষক ব্ৰহ্মপ্রতিপাদক বাক্য সকল উদ্ধত করিতে লাগিলেন, ভট্টাচার্যেরা ও গোস্বামীরা তাহাতে অভিভূত হইয়া পড়িলেন।” সাধারণতঃ সকলেই ভাবিতেন যে, বেদে দুর্গা, কালী, কৃষ্ণ প্রভৃতি দেব দেবীর পুজাই সমর্থিত হইয়াছে। “বেদে বলে তুমি ত্রিনয়ন।” রামমোহন রায় ধৰ্ম্ম-প্রচারে প্রবৃত্ত হইয়া বেদ বেদান্তে কি আছে, তদ্বিষয়ে লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করিলেন। বাঙ্গালা ভাষার উন্নতি । এই সকল বিচারে আর একটা উপকার হইয়াছিল ;–ইহাতে বাঙ্গালী ভাষার বিশেষ উন্নতি হইয়াছিল। পণ্ডিতবর রামগতি স্থার মহাশয় তাহার বাঙ্গালাভাষা ও বাঙ্গালাসাহিত্য বিষয়ক পুস্তকে লিখিয়াছেন —“ইহা অবগু স্বীকার করিতে