পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৮২ মহাত্মা রাজ রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। তৎক্ষণাৎ শোভাবাজারের রাজবাটী হইতে পুস্তক লইয়া আসিলেন, এবং মনোযোগ পুৰ্ব্বক অধ্যয়ন করিলেন। একবার অধ্যয়নমাত্র তাহার অসাধারণ মেধা উহা আয়ত্ত্বাধীন করিয়া লইল। তৎপরদিবস ঠিক সময়ে বিচারার্থী ব্রাহ্মণ আসিয়া উপস্থিত। ঘোরতর বিচার হইল। পরিশেষে তিনি রামমোহন রায়ের পাণ্ডিত্য ও তর্কশক্তির নিকট পরাস্ত হইয়া গৃহপ্রস্থান করিলেন । তর্কপ্রণালী বিষয়ে একটা গল্প। র্তাহার তর্কের প্রণালী অতি সুন্দর ছিল। অতি সহজে বিপক্ষকৈ তাহার আপনার কথাতেই তাহাকে ঠকাইতেন। রামমোহন রায়ের বাটীর প্রাঙ্গনে এক উদ্যান ছিল। এক ব্রাহ্মণ প্রত্যহ পূজার জন্য পুষ্পচয়ন করিয়া লইয়া যাইত। এক দিবস ব্রাহ্মণ আসিয়া একটা বৃক্ষের শাখায় উত্তরীয় রক্ষা করিয়৷ পুষ্পচয়ন করিতেছেন, এমন সময়ে বাটীর কোন ব্যক্তি আমোদ করিবার জন্ত সেখানি তথা হইতে অন্তরিত করিল। ব্রাহ্মণ কাৰ্য্যশেষ করিয়া আসিয়া দেখেন যে, যথাস্থানে উত্তরীয় নাই। অনেক অন্বেষণেও উহা প্রাপ্ত হইলেন না। তখন তিনি অতিশয় বিরক্ত হইয়া চীৎকার পূর্বক দুঃখ প্রকাশ করিতে লাগিলেন। রামমোহন রায় তখন বাহিরে আসিয়া ব্রাহ্মণের নিকট গুনিয়া • সকল বুঝিতে পারিলেন। বলিলেন, “দেবতা! (তিনি ব্রাহ্মণদিগকে দেবতা বলিয়াই সম্বোধন করিতেন) আপনি স্থির হউন, আপনার উত্তরীয় গিয়াছে, একখানা উত্তরীয় অবশুই প্রাপ্ত