পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কলিকাতা বাস । సి গুপ্তকের কথা বলিব ; ইহার নাম “পারি ও শিষ্যসংবাদ ।” উক্ত পুস্তকে এক পারির সহিত র্তাহার চীন দেশীয় তিন জন শিষ্যের কথোপকথন কল্পিত হইয়াছে। খৃষ্টিয়ানদিগের তিন ঈশ্বরের মত যে, যার পর নাই অযুক্ত ও অসঙ্গত, উক্ত পুস্তকে তাছা অতি সুন্দর রূপে প্রতিপন্ন হইয়াছে। আত্মীয়সভা সংস্থাপন –লোকনিন্দ । তাহার কলিকাতা বাসের পর বৎসর অর্থাৎ ১৭৩৭ শকে ১৮১৫ খৃঃ অঃ) তিনি র্তাহার মাণিকতলার ভবনে “আত্মীয় সভা" নামে একটা সভা সংস্থাপন করেন। পর বৎসরেই সিম্ল যষ্ঠিতলায় রামমোহন রায়ের বাটতে সভা উঠিয়া বায়। কিন্তু আযার তৎপর বৎসরেই মাণিকতলার বাটতে উঠি আসে। সভা সপ্তাহে এক দিন করিয়া হইত। শিক প্রসাদ মিশ্র বেদ পাঠ করিতেন, এবং গোবিন্দ মালা ব্ৰহ্মসঙ্গীত করিতেন ; কিন্তু শ্লোক ব্যাখ্যা হইত না। এই সময়ে লোকের বিরাগ ও নিৰ্মা সহ করিতে না পারিয়া তাহার কয়েক জন অনুচর র্তাহাকে পরিত্যাগ করিয়া গেলেন। জয়কৃষ্ণ সিংহ পৌত্তলিকদিগের সহিত যোগ দিলেন ; এবং সৰ্ব্বত্র এই মিথ্যা অপবাদ রটনা করিয়া বেড়াইতে লাগিলেন যে, আত্মীয়সভায় গোবৎস হত্য করা হয়। এই সকল প্রতিকুল অবস্থা রামমোহন রায়কে লেশমাত্র বিচলিত করিতে পারিত না। তিনি সৰ্ব্বদা আপনার উদ্দেশুসাধনে যত্নশীল, থাকিতেন, এবং প্রতিদিন সন্ধ্যাকালে গম্ভীরভাবে পরমেশ্বরের