পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৯৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৯২ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। উপাসনা করিতেন। কয়েকজন বন্ধু তাহাকে ছাড়িয়া গেলেন বটে, কিন্তু সকলে ছাড়িলেন না। বাবু দ্বারকানাথ ঠাকুর মধ্যে মধ্যে এবং বাবু ব্ৰজমোহন মজুমদার ও অপর কয়েক জন নিয়মিতরূপে আত্মীয়সভায় উপস্থিত হইতেন। তাহার সৰ্ব্বপ্রথমে প্রকাগুরূপে রামমোহন রায়ের মত গ্রহণ করান্তে লোকে তাহাদিগকে নাস্তিক বলিয়৷ গালি দিত। র্তাহার বিরুদ্ধে মোকদম ।

  • আত্মীয়সভ রামমোহন রায়ের বাটীতেই হইতে লাগিল। পরিশেষে, তাহাকে পৈতৃক সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত করিবার জন্তর্তাহার ভ্রাতুষ্প ত্রের তাহার বিরুদ্ধে মোকদম উপস্থিত করাতে তিনি স্বয়ং সভার উপস্থিত থাকিতে পারিতেন না। সেই জন্য সভা কখন বৃন্দাবন মিত্রের বাটীতে, কখন উপনগরে রাজা কালীশঙ্করঘোষালের বাটতে, এবং কখন ভুলাবাজা বিহারীলাল চৌবের বাটতে হইত।

এক মহা বিচারসভা ও সুব্রহ্মণ্য শাস্ত্রীর পরাভব। আত্মীয় সভা কিছুকাল পর্য্যন্ত এইরূপে চলিল। পরিশেষে ১৮১৯ খৃঃ অঃ উপরিউক্ত বিহারীলাল চৌবের ভবনে এক মহা সভা হইল। কলিকাতা ও উপনগরের প্রধান প্রধান পণ্ডিত । প্রধান প্রধান ধনবান ও সন্ত্রান্ত ব্যক্তিগণ সভামওপে আলী হইলেন। ব্ৰহ্মজ্ঞানীদিগকে বিচারে পরাস্ত করিবার জন্য, কলি • কাতার প্রধান সমাজপতি রাজা রাধাকান্ত দেব বড় ব্য ভট্টাচাৰ্য্য পণ্ডিতগণকে সমভিব্যাহারে লইয়া আসিলেন