পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কলিকাতা বাস । ৯৩ রামমোহন রায়কে পরাস্ত করিবার জন্য অনেক ষড়যন্ত্র কর। হইয়াছিল। কিন্তু ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রতিভার নিকট সকলই বিফল হইয়া গেল । সভাস্থলে যে যে তর্ক উপস্থিত করা হইয়াছিল, তন্মধ্যে সুব্রহ্মণ্য শাস্ত্রীর তর্কই প্রধান। তিনি বলিলেন যে, বঙ্গদেশে প্রকৃত বিশুদ্ধ ব্রাহ্মণ প্রাপ্ত হওয়া যায় না, সুতরাং এখানে বেদ পাঠ হওয়া উচিত নহে। সুব্রহ্মণ্য শাস্ত্রী এই কথা বলিলে, কিছুক্ষণ সকলে নিস্তব্ধ হইয়া রহিলেন ; কেহই প্রতিবাদ করিলেন না। অবশেষে রামমোহন রায় স্তীর ভাবে তাহার মত খণ্ডন করিতে প্রবৃত্ত হইলেন। ঘোরতর তর্কযুদ্ধের পর, সুব্রহ্মণ্য শাস্ত্রীকে নিরস্ত হইতে হইল। রামমোহন রায়ের অসামান্ত ক্ষমতার কথা তাড়িতের স্তায় চতুদিকে বিস্তৃত হইয়া পড়িল। পৌত্তলিকগণ ক্রোধ ও বিদ্বেষবশতঃ বিবিধ প্রকারে তাহার অনিষ্ট সাধনে প্রয়াস পাইতে লাগিলেন। মোকদ্দমার জন্য ব্যস্ততা । রামমোহন রায়ের ভ্রাতুষ্পুত্র, তাহাকে বিধৰ্ম্ম বলিয়া পৈতৃক বিষয় হইতে বঞ্চিত করিবার জন্য, তাহার নামে সুপ্রিম কোর্টে মোকদম উপস্থিত করেন। রামমোহন রায় উহাতে এতদূর ব্যতিব্যস্ত হইয়া পড়িয়াছিলেন যে, এই সময়ে দুই বৎসর কাল আত্মীয়সভা বন্ধ ছিল। এতদ্ভিন্ন এই সময়েই বৰ্দ্ধমানের মহারাজা তেজচাদ বাহাদুর পিতৃঋণের জন্ত র্তাহার বিরুদ্ধে কলিকাতা প্রভিন্‌স্যাল কোর্টে নালিস করেন। শুনা