পাতা:মহারাষ্ট্র-নৃপেন্দ্রকুমার বসু.djvu/৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


函 ॐिकांच्चौद्र इॉशैनहनॐींबं হঠাৎ বর্ণী করিয়া ফেলিলেন এবং সকলের অলক্ষ্যে ঠান্ধীক্ষে বিজাপুরে পাঠাইয়া দিলেন ( ১৬৪৯ খৃঃ অঃ)। একটা অপ্রশস্ত পাথরের কুঠুরীর মধ্যে বিজাপুররাজের ওই মহাৈিতী ব্যক্তিটিকে বন্দী করিয়া রাখা হইল। সুলতানের হুকুমে শাহ জী উাহার পুত্রের নিকট পত্র লিখিয়া, তাহার অধিকৃত সমুদায় ভূমি ও দুর্গাদি প্রত্যুপর্ণ ও উহাকে আত্মসমপর্শ করিডে ইঙ্গিত্ত করিলেন ; নচেৎ নির্দিষ্ট সময়-অন্তে সেই অন্ধকার কারাকক্ষে বিনা খাদ্য ও পানীয়ে উারাকে মারিয়া ফেলা হইবে। শিবাজী এই পত্র পাইয়া মহাচিন্তিত হইয়া পড়িলেন। পুত্রের অপরাধে পিতার প্রাণীও হইবে, ইহা কল্পনায় আনিতেও তিনি জবস হয়ে পড়িলেন। সীবাঈ বীরের পত্নী। মুলতানের নিকট উহার স্বামী আত্ম-সমৰ্পণ করিবার সম্বর করিতেছেন জানিয়া, উহাকে বিনয়কনে বুঝাইয় বললেন, শপতার বিপদে পুত্রের চঞ্চল হওয়া স্বাভাবিক ; বিপদ হতে উাকে প্রাণ দিয়ে রক্ষা করাও পুত্রের কর্তব্য। কিন্তু এতদিন শত শত প্রাণ বিসর্জন দিয়ে ও নিজের প্রাণ তুচ্ছ করে যে স্বাধীনতার বীজ রোপণ করে, তা কি এক নিমেৰে ধূলিসাৎ হয়ে যাবে ? পিতাকে বাঁচাবার কি জায় অন্য উপায় নেই ? অন্য কোন বৃহত্তর শক্তির সাহায্য নিয়ে বিজাপুররাজকে কি কহিল করা যায় না ?” চমৎকার যুক্তি। এগুনি তিনি মুঘলদের কোন অধিকারে হস্তক্ষেপ করিয়া, তাৰাদিগকে অসন্তুষ্ট করেন নাই। বরং জুরার