পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/১০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


द लूज coों (g অথচ ইহাদের কল্যাণে জীবন তাহার আজ অকথা জটিলতায় ভরা। সব বিষয়ে সেই হইয়া উঠিতেছে অপরাধী। সীতার দুর্ভাগ্য উপলক্ষে ষাট টাকার কম্পাউণ্ডারি করাই যে নন্দ জীবনের চরম লক্ষ্য করিয়া রাখিয়াছে সে অপরাধ তাহারই। এক সাহেবের • কাণ্ড ওষুধেব দোকানো একশ দশ টাকার চাকবীটা যে নন্দ পছন্দ করিল না সে জন্য সুমতি DD DBB SBB BBD BD BBDS SDDDS S DBBD S S DD °gिcडcछ cण नाभिद्ध9 भऊिझ । অলকা যে বাচিল না, মরিয়াও স্বামীর দু'ফোটা চোখের জলের তর্পণ পাইল না, এ জন্য স্বয়ং ভগবানও হয়ত একদিন সুমতিরই বিচার করিবেন। এমনি সব কটু চিন্তায় সুমতি ব্যাপৃত ছিল, ও ঘর হইতে অক্ষয় তাহাকে আহবান করিল। অনুযোগ করিয়া বলিল “এক এক দুপুর্বটা যে কাটে না সুমতি ।” সুমতি মৃদুসারে বলিল খোকাকে রেখে যাব ? “খোকার সঙ্গে এক তরফা আলাপ করব কতক্ষণ ? তাছাড়া দুপুর বেলা আর রাত্রিটা তোমার কোল দখল করে BBDDS DDB KDDS KKD DBELLu DBBBD সুমতি নতমুখে বলিল 'কিন্তু দুপুরে একটু না শুয়ে যে আমি পারব না। কাল একাদশী করেছি।” অক্ষ্য ব্যস্ত হইয়া বলিল “ও, আচ্ছা, তবে তুমি যাও সুমতি, শোবে যাও । কাল তোমার একাদশ গেছে জানতাম না। তুমি পুঝি নিওঁজলা একাদশ করা ?” সুমতি নীরবে স্বীকার করিল। অক্ষয়ের আর কিছু বলিবার আছে কিনা। ক্ষণকাল তাহার প্রতীক্ষা করিয়া সে নিজের ঘরে ফিরিয়া গেল। তাহার মনে পড়িল নন্দ ও একদিন নিৰ্জলা একাদশীর কথাটা তুলিয়াছিল। কিন্তু অক্ষয়ের মত এমন ভদ্র ও সংযতভাবে নয়। সে নিজলা একাদশী করে শুনিবাৰ্মাত্র একটুকরা কাগজ টানিয়া নিয়া মোটা মোটা হরফে লিখিয়াছিল 'নিজ'ল', তারপর কাগজটা সামনে ধরিয়া হাসিয়া বলিয়াছিল 'হঠাৎ দেখলে কথাটাকে 'নিল্লািজ’ মনে হয় না ? হয়, কি বল ? বলই না ছাই হয় L K DS DBLLBD BE DBDDg gB SD EBDK DDB BB S বিছানায় শুইয়া সুমতির মনে হইল অক্ষয়ের ভদ্রতার চেয়ে নন্দর সেই অসংযত হাসিতে যেন কুটিলতা কম ছিল। নন্দর বিশ্ৰী মন্তব্যটার মধ্যেই যেন সহানুভূতি ছিল বেশী। বিকালের দিকে বৃষ্টি কমিয়া গেল। অনেক ভাবিয়া সুমতি নন্দর খবর নিতে গেল। বলিল 'উপোস করছেন কেন ?" নন্দ সবগুলি জাপাল বধ করিয়াছে, ঘরের ভিতরটা ভোর বেলার মতই আবছা । 'टां च श८८छ् ।।' “বেশী জ্বর ?” 'কপালে হাত দিলেই টের পাবে জর বেশী কি কম। Nè o ) কপালে হাত দিতে সুমতির সাহসী হইল না। থানিক চুপ করিয়া থাকিয়া বলিল ‘একটু দুধ খান।' নন্দ ধড়মড় করিয়া বিছানায় উঠিয়া বসিল । ‘সমস্ত বাড়ীতে পচা ঘিয়ের গন্ধ, লুচি ভাজিছিলে ?” ožJ o ‘নিয়ে এসে খানিকত লুচি, লুচিই খাব।” ‘জ্বরের মধ্যে লুচি খাওয়া কি ঠিক হবে ?” নন্দ হাসিল । ‘কপালে হাত দিয়ে যে জর দেখতে পারে না তার সে उांबना 6कन ' ইহার জবাব অবশ্য সুমতি দিতে পারিল না, কিন্তু লুচিও সে নদীকে খাইতে দিল না। এক বাটি গরম দুধ আনিয়া কড়া সুরে বলিল “খান, ছেলেমানুষী করবেন না।” কি মনে করিয়া নন্দ আর গোলমাল না করিয়া দুধ খাইল । রাত্রে আবার দুধ খাইবার পালা। অন্ধকার গাঢ় বলিয়া এখন আর আলো জালিতে কোন বাধা নাই। আলো জ্বালিয়াই সুমতির চমক লাগিল। নন্দর অভূতপূৰ্ব ভাবাপরিবর্তন ঘটিয়াছে। চেয়ারে বসিয়া সে একটা পা টেবিলের উপর তুলিয়া দিয়াছে, দুই হাতের দশটা আঙ্গুলে টেবিল ঠুকিয়া অত্যন্ত জলদ একটা ধ্বনি তুলিয়া তাহারি তালে তালে মাথা নাড়িতেছে। রূক্ষ বিশৃঙ্খল চুলের মধ্যে ঢেউ খেলিয়া যায়, কপালের একটা শ্ৰীহীন কুঞ্চনের বারংবার লয় ও আবির্ভাব ঘটে, মুখখানি অস্বাভাবিক পাণ্ডুর ও নিপ্রভ মনে হয়। সুমাত ভী ৩ হইয়া উঠিল। 'কি হয়েছে ? কি হয়েছে আপনার ?” পা নামাইয়া নন্দ সোজা হইয়া বসিল । চোখ খুলিতেই বোঝা গেল দু'চোখ তাহার জবা ফুলের মত লাল হইয়া ऐठेिम्नाcछ् । অথচ কথা সে কহিল রসিকতা করিয়া । ‘আমার প্রবল আনন্দ হয়েছে সুমাত ' আনন্দই বটে ! বিবৰ্ণ মুখে সুমতি বলিল 'কেন ? কেন আপনার এমন আনন্দ হ’ল ?” “পড়’-ন একটা দুমড়ানো পত্ৰ সুমতির হাতে গুজিয়া দিল । সুমতি পড়িল । নন্দর কাকার পত্র । সংবাদ সংক্ষিপ্ত। বিগত সতরই শ্রাবণ সীতার বৈধব্য ঘটিয়াছে। নীেকা করিয়া কেদার গ্রামান্তরে যাইতেছিল। নৌকাতেই সে প্ৰাণ ভরিয়া মদ খায় । সুতরাং বর্ষার নদীতে টলিয়া গিয়া আর উঠিতে পারে নাই। কেমন করিয়া কেদার নদীয় মধ্যে টলিয়া পড়িয়াছিল চিঠিতে সে কথা লেখে নাই। সুমতি বহুক্ষণ মুখ তুলিতে পারিল না। শুষ্ক চোখ দেখিয়া নন্দ কি ভাবিৰে কে জানে ! নন্দর মধ্যস্থতায় অচেনা সীতার জন্য সুমতি সত্যই একটু একটু মমতা ৰোধ