পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/১৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চতু কোণ রাজকুমার হাসিমুখে বলিল, এই তো দিবি টিপ, টিপ, করছে পালস। शिब्रि अवांग्र बलिष्ण, श्रीक ना Cሻ�ርቑማ ! গিরির মুখের ভাব লক্ষ্য করিলে রাজকুমার নিশ্চয় সঙ্গে সঙ্গে তার হাত ছাড়িয়া দিয়া তফাতে সরিয়া যাইত এবং নিজের পাকা মনের আলোতে জগতের সহজ সরল মানুষগুলিকে বিচার করিবার জন্য একটু আগে অনুতাপ বোধ করার জন্য নিজেকে ভাবিত ভাবপ্রবণ। কিন্তু গিরির সঙ্গে তামাসা আরম্ভ করিয়া অন্যদিকে তার মন ছিল না । হাসির বদলে মুখে চিন্তার ছাপ আনিয়া সে বলিল, তোমার পালস তো বড় আস্তে চলছে গিরি। তোমার হাট নিশ্চয় খুব দুর্বল। দেখি ডুরে শাড়ীর নীচে যেখানে গিরির দুর্বল হার্ট স্পন্দিত হইতেছিল, সেখানে হাত রাখিয়া রাজকুমার স্পন্দন অনুভব করার চেষ্টা করিতে লাগিল। গিরির মুখের বাদামী রঙ প্ৰথমে হইয়া গেল পাশুটে, তারপর হইয়া গেল কালোটে । একে আজ গায়ে তার সোমিজ নাই, তারপর চারিদিকে নাই মানুষ। কি সর্বনাশ ! छि छि ! ५aगद कि ! রাজকুমার আশ্চৰ্য্য হইয়া বলিল, কি হয়েছে ? গিরি দমক মারিয়া তার দিকে পিছন ফিরিয়া, একবার হেঁচট খাওয়ার উপক্ৰম করিয়া তরুতর করিয়া সিড়ি বাহিয়া উপরে উঠিয়া গেল। রাজকুমার হতবাক হইয়া চাহিয়া ब्रश्लि। dकि दJiol है ব্যাপার বুঝা গেল। কয়েক মিনিট পরে উপরে গিয়া । গিরির মা পাটিতে পা ছড়াইয়া হাতে ভর দিয়া বসিয়া আছেন। দেখিলেই বুঝা যায়, সবে তিনি শয়নের আরাম ছাড়িয়া গা তুলিয়াছেন,-বসিবার ভঙ্গিতেও বুঝা যায়, মুখের ভজিতেও বুঝা যায়। মানুষটা একটু মোটা, গা তোলার পরিশ্রমেই বোধ হয় একটু হাপিও ধরিয়া গিয়াছে। রাজকুমার বলিতে গেল, গিরিগিরির মা বাধা দিয়া বলিলেন, লজ্জা করে না ? বেহায়া নচ্ছার কোথাকার ! এমন সহজ সরল ভাষাও যেন রাজকুমার বুঝিয়া উঠিতে পারিল না, হঁা করিয়া চাহিয়া রহিল। গিরির মা আবার বলিলেন, বেরে হারামাঞ্জাদা, বেরো আমার বাড়ী থেকে। গিরির মার রাগটা ক্ৰমেই চড়িতেছিল। আরও যে কয়েকটা শব্দ তার মুখ দিয়া বাহির হইয়া পড়িল সেগুলি সত্যই অশ্রাব্য । রাজকুমার ধীরে ধীরে রসিকবাবুর বাড়ী ছাড়িয়া বাহির হইয়া আসিল, ক্ষুব্ধ আহত ও উদভ্ৰান্ত রাজকুমার। ব্যাপারটা বুঝিয়াও সে যেন ভাল করিয়া বুঝিয়া উঠিতে পারিতেছিল l ५न्न, ८ब्रनि ՏՓԳ না। হঠাৎ যেন একটা মুক্তিহীন ভূমিকাহীন আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটিয়া গিয়াছে। তার কেবলি মনে হইতে লাগিল, দামী জামা কাপড় পরিয়া খুব উৎসাহের সঙ্গে সে বাড়ীর বাহির হইয়াছিল, হঠাৎ কি ভাবে যেন পচা পাক ভরা নর্দমায় পড়িয়া গিয়াছে। এইরকম একটা আকস্মিক দুর্ঘটনার পৰ্য্যায়ে না ফেলিখা এ ব্যাপারটা যে সত্য সত্যই ঘটিয়া গিয়াছে একথা কল্পনা করাও তার অসম্ভব মনে হইতেছিল। নিছক দুর্ঘটনা-কারও কোন দোষ নাই, দোষ থাকা সম্ভব নয়। ভুল বুঝিবার মধ্যেও তো যুক্তি থাকে মানুষের, ভুল বুঝিবার সপক্ষে ভুল যুক্তির সমর্থন ? গায়ে কেউ ফুল ছুড়িয়া মারিলে মনে হইতে পারে ফাজলামি করিয়াছে, সহানুভূতির হাসি দেখিয়া মনে হইতে পারে ব্যঙ্গ করিতেছে, কিন্তু ফুল আর হাসির আঘাতে হত্যা করিতে চাহিয়াছে একথা কি কোনদিন কারো মনে হওয়া সম্ভব ? কতটুকু মেয়েটা ! ধকের স্পন্দন পরীক্ষা করিবার সময় বুকটা তার বালকের বকের মত সমতল মনে হইয়াছিল। যে মেয়ের দেহটা পুরুষের উপভোগের উপযুক্ত হইতে আজও পাঁচ সাত বছর বাকী আছে সেই মেয়ের মনে তার সহজ সরল ৬ ব্যবহারটির এমন ভয়াবহ অর্থ কেমন করিয়া জাগিল ? মাথা ধরার কথাটা কিছুক্ষণের জন্য রাজকুমার ভুলিয়া গিয়াছিল, বাকী যে কয়েকটা কৰ্ত্তব্য পালন কমিবে ঠিক করিয়া বাড়ী হইতে বাহির হইয়াছিল, সেগুলির কথাও মনে ছিল না। নিজের বাড়ীর দরজার সামনে পৌঁছিয়া মাথাধরা আর দরকারী কাজের কথা একসঙ্গে মনে পড়িয়া গেল । কিন্তু ফিরিতে আর সে পারিল না, নিজের ঘরখানার জন্য তার মন তখন ছটফট করিতেছে। জিনিষপত্রে ঠাসা ওই চারকোণা ঘরে যেন তার মাথা ধরার চেয়ে কড়া যে বৰ্ত্তমান মানসিক यक्ष भी डाब्र डाल ७भूद थांछ । কে যায় ? রাজু ? একবারটি শুনে যাবে রাজু ভাই, এক মিনিটের জন্যে ? এবার দেখা গেল, মনোরম তার দেড় বছরের ছেলেকে কোলে করিয়া ঘুম পাড়াইতেছে। কচি কচি হাত দিয়া খোকা তার আঁচলে ঢাকা পরিপুষ্ট স্তন দুটিকে জোরে আঁকড়াইয়া ধরিয়াছে। রাজকুমারের দৃষ্টি দেখিয়া মনোরমা মৃদু একটু হাসিয়া বলিল, এমন দুষ্ট হয়েছে ছেলেটা । খায় না। কিন্তু ঘুমোনোর আগে ধরা চাই। মনে মনে খাওয়ার লোভটা এখনো আছে আর কি। D BDD BBDDB D DBDBD S BB ELD BDD মনোরম আবার মৃদু হাসিল । অ্যাখে না ছাড়াবার চেষ্টা করে ? সরল সহজ আহবান, একান্ত নির্বিািধকার। পঞ্চাশ বছরের একজন স্ত্রীলোক যেন তার কঁচা পাকা চুলে ভরা মাথা হইতে দু'টি পাকা দুল তুলিয়া দিতে বলিতেছে দশ বার বছরের এক বালককে। গিরীন্দ্ৰনন্দিনীর বাড়ী ঘুরিয়া আসিবার