পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/১৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


były আড়াল থেকে উকি দেয়, উত্তেজিত ফিসফিসানি কথার BLEYS BE gDDD D KDDB BtDS BDDB প্রকাশ্যে এগিয়ে যায় পথের ধারে, কেউ কেউ মুক্তাকে কথা শোনায় খোচা-দেওয়া ছ্যাকা-লাগানো কথা। কেউ চুপ করে থাকে, কেমন একটা দরদ বোধ করে, বাছার কাচি ছেলেটা মরেছে, কোথায় না জানি বাছা কত লাঞ্ছনা কত উৎপীড়ন সয়েছে ভেবে। মধু কামারের বৌ গিরির মা একেবারে সামনে দাড়িয়ে পথ আটকায় তার মস্ত ফেগলা-ফাপা শরীর নিয়ে। মধু কামার নিরুদ্দেশ হয়েছে। বছরখানেক, কিছুদিন আগে গিরিও উধাও ፪ርጻ C?iር፬ ! “ক্যান লা মাগি ?” গিরির মা মুক্তাকে শুধোতে থাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কুৎসিত গালাগালি দিয়ে দিয়ে, “ক্যান ফিরেছিস গায়ে, বুকের কি পাটা নিয়ে ? ঝোঁটিয়ে তাড়াব তোকে। দূৱ-অ দূৱ-অ ! যা।” হাঁপাতে হাঁপাতে সে কথা বলে, যেন হালকায় হলকায় আগুন বেরিয়ে আসে হিংসার বিদ্বেষের। সুরমা স্মিতমুখে মিষ্টি কথায় তাকে থামাতে গিয়ে তার গালের ঝাঝে একপা পিছিয়ে আসে । মনে হয় গিরির মা শেষ পৰ্য্যন্ত অচড়ে কামড়েই দিবে মুক্তাকে । মুক্ত দাড়িয়ে থাকে নিস্পন্দ হয়ে । এরা মুখ চাওয়া-চাওয়ি করে । মানুষ জমেছে কয়েকজন। একজন, কোমরে তার 히 학 전 Fil t히 T5 giCF, হঠাৎ জোরে হেসে ওঠে। একজন বলে, “বাঃ বাঃ বেশ । একজন উরুতে থাপড় মেরে গেয়ো ভঙ্গিতে হাততালি দেয়। একটু তফাতে নালা পেরোবার জন্য পাতা তাল গাছের কাণ্ডটায় এ মাথায় বসেছিল। গদাধর, বহু দূরের মানুষকে হঁক দেবার মতো জোর গলায় এমনি সময়ে সে ডাকে, ‘গিরির মা । বলি ওগো গিরির মা ।” গিরির মা মুখ ফিরিয়ে তাকাতে সে আবার বলে তেমনি জোর গলায়, ‘গিরি যে তোমায় ডাকছে গো গিরির মা কখন থেকে ! শুনতে পাও না ?” গিরির মা থমকে যায়, দুঃস্বপ্ন-ভাঙা মানুষের মতো ক্ষণিক সম্বিৎ খোজে বিমূঢ়ের মতো, তারপর যেন চোখের পলকে এগিয়ে যায়। ‘७ाकrछ ? त्रिनि, या छे।' এতগুলি মানুষ দেখে লজ্জায় সে জিভ কাটে । কোমরে এক-পাক জড়ানো ছোড়া কঁথাখানা চট করে খুলে নিয়ে মাথায় ঘোমটার মতে চাপিয়ে এগিয়ে যায় ঘরের দিকে । ঘরের সামনে পুরোনো কঁটিাল গাছের ছায়া , বসে রামপদ সৰে হকোব টান দিয়েছিল। তামাক সেজে েএকটুখানি, ডুমুর ফলের মতো । তামাক পাওয়া বড় কষ্ট। মুক্তাকে সাথে নিয়ে ওদের আসতে দেখে সে হুকোটা গাছে ঠেস দিয়ে অ্যা, ডাকছে নাকি গিরি ? যাইলো মানিক-গ্ৰন্থাবলী রেখে উঠে দাড়ায়। এমনিই পুড়ে যেতে থাকে তার অত কষ্টে gfig की डमिक । “আসেন।” রামপদ বলে ক্লিষ্ট স্বরে, দ্বিধা-সংশয়-পীড়িত ভীরু অসাহায়ের মতো। তিন জন কাছে এগিয়ে এসেছে, ওদের দিকে না তাকিয়েই সে অনিশ্চিত অভ্যর্থনা জানায়, চোখ সে পেতে রাখে মুক্তার উপর। খানিক তফাতে থাকতেই মুক্তা থেমে গিয়ে হয়ে আছে কাঠের পুতুল। “তোমার বেীকে দিয়ে গেলাম ভাই। যা বলার সব BDB DBBD SS DDDLDD DDDDL D LBBKS D DDBB BBB গেছে, ভুলে গিয়ে আবার তোমরা ঘর-সংসার পাতো। चांद्र 'क' नि धंग यांद्र ctथं यांब ।' “দিয়ে তো গেলেন।” বলে উৎসাহহীন বিমর্ষ রামপদ । মাথার চুলে হাত বুলিয়ে একবার সে ঢোক গেলে, চোখের পাতা পিটি-পিট করে তার। শীর্ণ মুখখান বসন্তের দাগে ভরা, চুপিসানো বা গালটাতে লম্বা ক্ষতের দাগ। তবু এই মুখেও তার হৃদয়ের জোরালো আলোড়নের কিছু কিছু নির্দেশ ফুটেছে তার শিথিল নিস্তেজ সৰ্ব্বাঙ্গজোড়া ঘোষণার সুস্পষ্ট মানে ভেদ করে । “যাবে বলেছিলে, গেলে না কেন রামপদ ?” “তই তো মুস্কিল হয়েছে দিদিমণি। সমাজ তাকে শাসিয়েছে, বেীকে ঘরে নেওয়া চলবে না। নিলে বিপদ আছে। সমাজ মানে ঘনশ্যাম দাস, কানাই বিশ্বাস, নিধু নন্দী, লোচন কুমার, বিধু ঘোষ, মধু নদী এরা ক’জন ।। ঘনশ্যাম এক রকম সমাজপতি এ অঞ্চলের চাষাভুষোদের, অর্থাৎ চাষী গয়লা কামার কুমোর তেলি ঘরামি জেলে প্ৰভৃতির। সে-ই ডেকে কাল ধমক দিয়ে বারণ করে দিয়েছে রামপদকে। অন্য ক’জন উপস্থিত ছিল সেখানে। একটু ভয় হয়েছে তাই রামপদ’র। একটু ভাবনা হয়েছে। একটু ! নৌকোতে পাতিবার সতরঞ্চিটা কঁঠাল তলায় বিছিয়ে তিন জন বসে। রামপদকেও বসায়। মুক্ত এতক্ষণ পরে সরে এসে সুরমার পিছনে গা ঘেষে মাটিতেই বসে। ঘোমটা তার ছোট হয়ে গেছে। ছোট ঘোমটার মিথ্যে আড়াল থেকে একদৃষ্টি সে তাকিয়ে থাকে রামপদ’র মুখের দিকে। বৌয়ের চোখে এমন চাটনি রামপদ কোন দিন দ্যাখেনি। এ সমস্যা তুচ্ছ করার মতো নয়। এক জন বড় মাতব্বর আর তার ধামাধার ক'জন তুচ্ছ লোক স্বামপদ’র পারিবারিক DLLDB BB D DBDB BY S DDD DB KS দু’চার জন হয়তো ঠাট্টা বিভ্রাপ করত কিছু দিন, দু-চার জন হয়তো বর্জনও করত। রামপাদকে, কিন্তু সাধারণভাবে মানুষ মাথা ঘামাত না ; চারিদিকে যা ঘটেছে আর ঘটছে তার কাছে এ আর এমন কি কাণ্ড ? না খেয়ে রোগে ভুগে কত মানুষ মরে গেল, কত মানুষ কত পরিবার নিরুদেশ হয়ে গেল, কোন বাড়ীর দশ জন কোথায় গিয়ে ফিরে এল মোটে দু'জন