পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/১৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


डांख् कव्नि °९४द्ध १ढ़ ধুকতে ধুকতে, কত মেয়ে-বেী, চালান হয়ে গেল কোথায়, এমনি সব কাণ্ডের মধ্যে কার বৌ কোথায় ক’মাস নষ্টামী করে ফিরে এসেছে, এ কি আবার একটা গণ্য করার মতো ঘটনা ? 0 DBD KKSO BD SB BD DB SDDBYS LBDLL YLD তাই নিয়ে ব্যস্ত হওয়া । কিন্তু ঘনশ্যামের ক'জন যখন গায়ে পড়ে উস্কে দিতে চাইছে। সবাইকে, কি জানি কি ঘটবে। সুরমা জিজ্ঞেস করে, “যাই হোক, বৌয়ের জন্য ভাত তো 〔环姬引叫外而?” “আজ্ঞে আপনারা ?” “আমাদের ব্যবস্থা আছে। বেীকে দু'টি খেতে দাওতো তুমি। চালাটা তোলেনি কেন ?" “তুলব। তুলব।’ সুরমাই বলে কয়ে নিয়ে দু'টি খাওয়ার ছলে মুক্তাকে ভিতরে পাঠিয়ে দেয় রামপদ’র সঙ্গে। বাইরে যা ঘটুক, ওদের মধ্যে আগে একটু কথা আর বোঝা-পড়া হওয়া দরকার। গ্রামের এক জন কৰ্ম্মী শঙ্করের বাড়ীতে তাদের এবেলা নাওয়া-খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। অনেক আগেই তার এসে পড়া উচিত ছিল । গ্রামের অবস্থা। সে ভালো জানে। তার সঙ্গে পরামর্শ করবারও দরকার হবে । ঝাপটা উচু করে তুলে দিতে আরেকটু আলো হয় ঘরে। "নাইবে ?” রামপদ শুধোয়। “মোর জন্যে রোধে রেখেছো ৷’’ বলে মুক্ত । "শোলের বাল আর ভাত । আলুনি হৈছে কিন্তু ?” এগার মাস আর অঘটনের ব্যবধান আর কিছুতে নেই, শুধু যেন আ?ে অতিবেশী রয়ে' রয়ে, অল্প দু'টি কথা বলায়, নিজের নিজের অনেক রকম ভাবনার গাদা নিয়ে নিজে নিজে ফাপরে পড়লে যেমন হয়। চুপ করে থাকার বড় যন্ত্রণা। ভাবনাগুলি নড়তে নড়তে মুক্তার মনে আসে : ছেলেটা তার ছিল সাত মাসের রামপদ যখন বিদেশ যায়। এটা বলার কথা। মুক্ত বাঁচে । “খোকন গোল কুপথ্যি খেয়ে। মাই-দুধ শুকিয়ে গেল, এক ফোটা নেই। চাল গুড়িয়ে বালি মতন করে দিলাম ক'দিন। চাল ফুরলে কি দিই। না খেয়ে শুকিয়ে মরবে এমনিতে, শাকপাত যা সেদ্ধ খেতাম, তাই দিলাম, করি কি ! তাতেই শেষ হল।” না কেঁদে ধীর কথায় বিবরণটা দেবে ভেবেছিল মুক্ত, কিন্তু তা কি হয়। আগে পাৱত, না খেয়ে যখন ভোতা নিজীব হয়ে গিয়েছিল অনুভূতি। আজ পুষ্ট শরীরে শুধু ক’মাসের অকথ্য অভিজ্ঞতা কেন বোধকে ঠেকাতে পারবে ? १व्य श्रद्ध c5icथ छल अgल भूखों' । “শেষ দু'টো দিন যা করলে গো পেটের যন্ত্রণায়, দুমড়ে भू5gg ५श्कब्र बcडl cबैक মুক্ত এবার কাদে । ‘কেউ কিছু করলে না ?” Sobrእ “দাসমশায় দুধ দিতে চেইছিল, মোকেও দেবে খেতেপরতে। তখন কি জানি মোর আদেষ্টে এই আছে ? জানলে পরে রাজী হতাম, বাচ্চাটা তো বাঁচতো। মরণ মোর হােলই, সে-ও মরাল।” চোখ মুছে নিজেকে সামলাতে চেষ্টা করে মুক্তা। এবার কৈফিয়ৎ দিতে হবে । কেঁদে ককিয়ে দরদ সে চায় না, সুবিচার চায় না। সব জেনে যা ভালো বুঝবে করবে। রামপদ, যেমন তার বিবেচনা হয় । “খোকন মরল, তোমার কোন পাত্তা নেই। দাসমশায় রোজ পাঠাচ্ছে নেড়ীর মাকে । দিন গেলে একমুঠো খেতে পাই নে। এক রাতে দু'টো মন্দ এলে, কামডে দিয়ে বাদাড়ে পালিয়ে বাঁচলাম এতটুকুর জন্যে। দিশে মিশে ঠিক রইল ना अद्मि, ciळांग गलg bgल ।" “দাসমশায় তো খুব করেছেন মোদের জন্যে ।” রামপদ বলে চাপা ঝাঁঝালো সুরে -“যা তুই, নেয়ে আয় গা।" শোলের ঝাল দিয়ে মূক্ত বসেছে ভাত খেতে, বাইরে থেকে ঘনশ্যাম দাসের হাক আসে ; রামপদ ! “তুই খা ।” বলে রামপদ বাইরে যায়। জন পাঁচেক সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে ঘনশ্যাম এসে দাঁড়িয়েছে সরকারী সমনজারীর পেয়াদার মতো গরম গাম্ভীৰ্য্য নিয়ে। শঙ্কর এসেছিল একটু আগে, ঘনশ্যামদের আবির্ভাবে সুরমাদের যাওয়া হয়নি। ‘বৌ এসেছে রামপদ ?” "আত্তে “ঘরে নিয়েছিস ?” “আজো ।” “বার করে দে এই দণ্ডে । ফিরে যাক ৷” "ভাত খাচ্ছে।” রামপদ’র ভাবসাব জবাব-ভঙ্গি কিছুই ভালো লাগে না ঘনশ্যামদের। টেকো নন্দী শুধোয়, “তোর মতলব কী ?” রামপদ ঘাড় কাত করে - আজো ।” “বেীকে রাখবি ঘরে ?” ‘বিয়ে করা ইস্তিরি। আজ্ঞে। ফেলি কী করে ?” এই নিয়ে একটা গোলামালের সৃষ্টি হয় মানসুকিয়ার চাষাভুষোর সমাজে। ঘনশ্যামরাই জোর করে জাগিয়ে রাখে। আন্দোলনটাকে। নইলে হয়তো আপনা থেকেই ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে থেমে যেত মুক্তার ঘরে ফেরার চাঞ্চল্য। সামাজিক শান্তি দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার ক্ষমতা ঘনশ্যামদের নেই, জমিদার দেশে থাকলেও হয়তো তাকে দিয়ে কিছু করানো যেত। তবে সামাজিক শান্তিই যথেষ্ট। সবাই যদি সব রকমের বর্জন করে রামপদকে, কথা পৰ্য্যন্ত বন্ধ করে, তাতেই পরম শিক্ষা হবে রামপদ’র। সমাজের নির্দেশ অমান্য করলে শুধু এক-ঘরে হয়েই যে সে রেহাই পাৰে না যারা এনেছে তাদের সঙ্গে