পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/২১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


उांख कळ °ंद्र १ প্রভাব প্রবণতাহীন মনে হয় বলে খুব তারা গর্ব অনুভব করে ! তারপর জীবন আসে। পরবত্তী বাস্তব অধ্যায়ের নিয়ম, অনিয়ম, প্রয়োজন আর ঘাতপ্ৰতিঘাতের সূচনা নিয়ে। যে ভাবে আরম্ভ করবে ভেবেছিল, পুলকেশ বা যতীন কারো আরম্ভটাই সেরকম হয় না। হাসিমুখেই তারা সেই আরম্ভকে SKEKS DBDBDB EE S SsLBD DDEK BT ssLLDB লীলাখেলায় কত সময় যে তার কোথা দিয়ে কেটে যায় । শেষের তিন বছর একবারও পুলকেশ কোন সিনেমায় যারনি। এই নিয়েই একদিন মৃন্ময়ীর সঙ্গে তার দারুণ কলহ হয়ে গেল। সিনেমায় মৃন্ময়ী হরদম যায়, অন্যের সঙ্গে । কিন্তু কেন তা হবে ? কেন তাকে পুলকেশ একদিন সিনেমায় নিয়ে যেতে পারবে না ? কোন স্বামী এ রকম ব্যবহার করে স্ত্রীর সঙ্গে ? তার নিজের যেতে ভাল না। লাগুক; মৃন্ময়ীর কি সখি থাকতে নেই। 'थाcद्ध कपिन ०िicभ श्रांब ।' “আরেকদিন কেন ? আজি নিয়ে চল ।” তাই করতে হল। শেষ পৰ্য্যন্ত। বহুদিন পরে পুলকেশ সেদিন এ টি বাংলা ছবি দেখল। খাপছাড়া অদ্ভুত মনে হল বটে ছবিটা, কিন্তু আজ আর হাস্যকর মনে হল না। এমন কি অজানা নতুন তরুণ ডাক্তার পাড়াগাঁয়ে পা দেওয়া মাত্র কম্পাউণ্ডারের বয়স্থ কুমারী মেয়েকে তার সঙ্গে মাঠে গিয়ে নৃত্যচ্ছন্দে লাফাতে লাফাতে ডুয়েট গান করতে দেখেও তার হাস পেল না, বরং বেশ মিষ্টি আর রসালই লাগলো ব্যাপারটা । মসগুল হয়েই পুলকেশ। শেষ পৰ্য্যন্ত ছবিটা দেখে ও ♥5Cai C°jቑማ | পরের শনিবার অফিসের এক সহকৰ্ম্মীর সঙ্গে সে আবার সিনেমায় গেল। পরের সপ্তাহে গেল তিনবার। কয়েক মাসের মধ্যে সে নিয়মিতভাবে সিনেমায় যেতে এবং ভালমন্দ নির্কিবাচারে ছবিগুলি তন্ময় হয়ে দেখতে আরম্ভ করল । বন্ধুদের সঙ্গে ছবি আর তাড়কাদের বিষয় আলোচনা ও তর্ক করে কেটে যেতে লাগল ঘণ্টার পর ঘণঢ়া । একদিন ম্যাটিনিতে নাচে গানে প্রেমে বিচ্ছেদ আর শেব মিনিটের মিলনে এক জমকালে ছাৰ দেখে পুলিকেশ বাইরে এসেছে, দেখা হল যতীনের সঙ্গে। টিপি টিপি বৃষ্টি পড়ছিল, যতীন ছাতি মাথায় দিয়ে হাটছিল ফুটপাতে। যতীনকে হঠাৎ দেখে পুলকেশ চিনতে পারত। কিনা সন্দেহ। তার শরীর ভেঙে পড়েছে, মুখে খোচা খোঁচা দাড়ি, পরনে আধ্যময়লা জাম-কাপড় ৷ যতীণ নিজেই তাকে (亿叫夺K豆u响K羽山阿1 এতদিন পরে দেখা, কিন্তু এমনি নিজৰ হয়ে পড়েছে • স্থ'জন যে উল্লাসটা তেমন জোরালো হল না। কিছুটা R “ Roa আশ্চৰ্য্য। আর কিছুটা খুশী হয়ে পুলকেশ বলল, “যতীন। कणक्ट ७ाठि कर्ब ' যতীন বলল, “মাসখানেক । ভাবছিলাম, হয়ে ওঠেনি।” যতীনের মুখে পুলকেশ মদের গন্ধ পায় । চোখে দেখতে পায় মেশার আবেশ । কথায় একটা অস্বাভাবিক টলোমলো প্ৰফুল্লতা। দুই বন্ধু কথা বলে ধীরে সুস্থে, খবর নেয়। আর দেয় ছাড়া ছাড়া ভাবে । এতগুলি বছর ধরে অজস্ৰ কথা জমেছে কিন্তু বলার বা শোনার তাড়া যেন তাদের নেই। যতীন বলে, “আয়, বসে কথাবার্তা কই ।” “কোথায় বসবি ? 'चांव ब। कांटछहै।' খানিক এগিয়ে বায়ে গলির মধ্যে একটা দেশী মদের দোকানে যতীন তাকে নিয়ে যায়। শনিবারের বিকাল, ইতিমধ্যেই লোক জমে জায়গাটা গমগম করছে- ছোড়া কাপড় পরা খালিগায়ের লোক থেকে ফরসা জামাকাপড় পরা পৰ্য্যন্ত সব ধরণের বাঙ্গালী ও অবাঙ্গালী লোক। দোকানঘরের বেঞ্চিগুলি সব ভক্তি, দাড়িয়ে এবং উবু হয়ে বসেও অনেকে মদ খাচ্ছে। পাশের ঘরে একটা বেঞ্চে জায়গা ছিল, পুলকেশকে বসিগে যতীন বলে, “বোস, একটা পাট আনি। একটু সেলিব্রেট করা যাক।” ‘আমি তো ওসব খাই না।” “একদিন একটু খাবি, তাতে কী হয়েছে ? এ্যাদিন পরে দেখা, একটু ফুৰ্ত্ত না করলে হয় ?” এখানে ঢাকেই যতীনকে আগের চেয়ে বেশী তাজা, বেশী উৎসাহী মনে হচ্ছে। সেলিব্ৰেট করার একটা ভাল উপলক্ষ পেয়ে সে যে ভারি খুশী হয়েছে বেশ বোঝা যায়, বেশী মদ gLLB TT S BBB DD DBDBDS DBBD DBDBS LB DDD পুরানো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হওয়ায় সে যুক্তি পেয়েছে, কৈফিয়ৎ পয়েছে সমর্থন পেয়েছে বেশী মদ খাবার । যতীন মদ আনতে যায়, পুলকেশ বসে বসে ভাবে। যতীনের অধঃপতনে মনটা তার খারাপ হয়ে যায় । যতীন এসে বসলে সে জিজ্ঞেস করে, ‘কদিন খাচ্ছিস ?” “বছর দু'তিন ?” “এটা ধরলি কেন ?” প্রশ্ন শুনে যতীন হাস।-'খেলে একটু ভাল লাগে আবার কেন ? গেলাসে মদ ঢেলে ঢেলে খেতে যতীনের অন্তরঙ্গত বাড়তে থাকে, কথা সে বলতে থাকে তাড়াতাড়ি, বেশী বেশী। একবার চুমুক দিয়েই পুলিকেশের সর্বাংগ শিউরে উঠেছিল, বমি ঠেলে উঠেছিল। আর খাবার চেষ্টা না করে সে যতীনের কথা শুনে যায়। অদৃষ্ট বড় খারাপ ব্যবহার করেছে। যতীনের সঙ্গে, ঘা মেরে মেরে খেতালে দিয়েছে জীবনট, কোনদিন বিশেষ সুবিধা করতে দেয়নি। চাকরীর cठांद्म दांएँौ शांब यांब