পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/২৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আজ কাল পবশুর গল্প তিনশ টাকার চাকরী নিয়েছিল, বিয়ে করেছিলে ? জেলে যাবে না ছাই, এমনি করে তুমি আমায় বলতে চাও, আমায় নিয়ে কি অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছ।” গীতার চোখ ছল ছল করে, কী দোষ করেছি। বল, মাপ চাইছি। অমন কর কেন ?” প্রমথ অবাক হয়ে তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। tD DDDS K KDBDD S SDDBBtB DDBDB BBDBDBS S DL স্বভাবটাই এ-রকম বিকারগ্ৰস্ত । “তোমায় বলে কী হবে ? তুমি বুঝবে না।” “বুঝব না ? আমি অবুঝ ? বোকা ? না বজাত ?” প্রমথ আর কথা বলে না। শান্ত নিৰ্ব্বিকার হয়ে চুপচাপ বসে থাকে । তাতে গীতার রাগ যায় আরও বেড়ে । BDBDDBBDD DBDBDS BBDDD BBD 0D DBBD DBDBBBD BDBBDSS প্রমথ তখনও বসে থাকে পাথরের মূৰ্ত্তির মতো, তার দিকে फिgअ७ 75ादाभ न । সাত দিন পরে প্রমথ গ্রেপ্তার হয় আরও অনেকের সঙ্গে । বিচারে তার জেল হয় তিন বছরের। জেলে প্ৰমথের দিন কাটে একে একে। বুড়ী মা, সুমথ ও অন্যান্য আত্মীয়বন্ধুরা চিঠি লেখে, মাঝে মাঝে দেখাও করতে আসে। গীতা চিঠিও লেখে না, দখাও করতে আসে না। বিচারের সময় সে কোটে আসত, আহত-বিস্ময় তার তীব্র অভিযোগ ভরা এক অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত। তার দিকে । সুমথের কাছে সে খবর পায় যে বিচার শেষ হবার পরেই গীতা ঢাকায় তার বাবার কাছে চলে গিয়েছে । এটা প্রমথ বুঝতে পারে । কিন্তু দেখা করতে আসে না কেন একটিবার ? চিঠি লেখে না কেন ? রাগ হওয়াই তার পক্ষে স্বাভাবিক, কিন্তু এমন রাগ হবার মতোই দি , বিকৃত তার মন যে, রাগ কিছুতেই কমে বা, অন্তত চিঠির জবাবে দু’লাইন একটি চিঠি লেখার মতো ? প্রমথ ক্ষুব্ধ হয়, মনটা তার খারাপ হয়ে যায় । এই যদি প্ৰতিক্রিয়া হয়ে থাকে। গীতার মধ্যে তার কারাবরণ করার, ওর হৃদয়মনের কী পরিবত্তন সে আশা করতে পারে । DBD DDD SDBBS BOBD D SEELED SS DBBBDggE জীবনের তার অবসান হয়েছে চিরদিনের জন্য। বাকি জীবনটা LLLLLDDB DDBB BDLLLDBDBD BBBS EBED SDBD SDgS DEBS নিজের মাতগাতি আর আদশের সঙ্গে সামঞ্জস্য বাজায় রেখে কাটিয়ে দিতে পারবে । জেলে যখন তার দেড় বছর পূর্ণ হয়েছে, হঠাৎ গীতার কাছ থেকে সে অদ্ভুত চিঠি পেল। চিঠিখানা খুব সংক্ষিপ্ত। গীতা লিখেছে : এতদিন ভেবে ভেবে সে বুঝতে পেরেছে প্রমথ আর তার মধ্যে মনের মিল না থাকলে জীবনে তারা সুখী হতে পারবে না। তাই, নিজেকে গড়ে-পিটে প্ৰমথের উপযুক্ত করে তুলবার জন্য কিছুদিন সে এক শিক্ষাসদনে গিয়ে থাকবে স্থির করেছে। সে যেন কিছু না ভাবে। যথাসময়ে cथी रुंद ! Al RO( বার বার প্রমথ চিঠিখানা পড়ে, তার ধাঁধা ঘুচতে চায় না। শিক্ষাসদন ? এমন শিক্ষাসদন কোথায় আছে, যেখানে স্ত্রীদের গড়ে-পিটে স্বামীর উপযুক্ত করে তুলবার ব্যবস্থা আছে ? সাধন ভজন জপ তপ করে নিজেকে শোধরাবার জন্য কোন সাধু-সন্ন্যাসীর আশ্রমে যাবার বৃদ্ধি করে নি তো গীতা ? অথবা মাথাটা তার খারাপ হয়ে গেছে একেবারে, পাগলামির ঝোকে একখানা চিঠি লিখে ফেলেছে আবোল তাবোল। নিজের দোষ যদি বুঝে থাকে। গীতা, তাই যথেষ্ট ছিল। আদর্শহীন জীবনের ব্যর্থতা টের পেলে, দায়িত্ববোধ জন্মালে প্রমথ নিজেই তাকে সহজ সাধারণভাবে শুধরে নিত। মনের মধ্যে নানা ভাবনা পাক খায়, কিন্তু নতুন একটা আনন্দ ও উৎসাহ ও প্রমথ অনুভব করে। তার আশা। তবে একেবারে ব্যর্থ হয় নি। গীতা অন্তত এটুকু ভাবতে শিগেছে যে, মনের মিল না হলে তারা সুখী হতে পারবে না ! গীতা কোন ঠিকানা দেয় নি। প্রমথ ঢাকায় তার বাবার ঠিকানায় জবাব দেয়। লেখে যে, গীতা যেন মনে না করে সে তাকে একেবারে তারই মনের মতো ছাচে ঢালতে চায়। গীতার ওপর কোনদিন সে জোর খাটায় নি, কোনদিন খাটাবার ইচ্ছেও রাখে না। তাদের <িরোধিতার অবসান হলেই তারা সুখী হতে পারবে ইত্যাদি অনেক কথা । একেবারে শেষে সে লেখে ; শিক্ষায়তনের নামটা কী, গীতা কোন শিক্ষায়তনে যোগ দিয়েছে ? এ চিঠিব কোন জবাব আসে না । কয়েকদিন পরে সুমথি দেখা করতে এলে তাকে সে এ-বিষয়ে প্রশ্ন করে । কিন্তু সুমথ গীতার কোন খবরই বলতে পারে না। গীতা তাদের কাছে চিঠিপত্র লেখেনি একখানাও। “খবর নেব ?” প্রমথ ভেবেচিন্তে বলে, "না, থাক।” মাস চারেক পৰে, হঠাৎ একদিন প্রমথ জেল থেকে ছাড়া পায় . আরও কয়েকজন রাজনৈতিক বন্দীর সঙ্গে। বাড়ী পৌছে সে দুদিন বিশ্রাম করে, তারপর ঢাকা রওনা হয়ে | | গীতার রায়বাহাদুর বাবা অত্যন্ত গম্ভীর মুখে জামাইকে অভ্যর্থনা করেন, "এসে । বসো ।” ‘গীতা ফেরেনি শিক্ষাসদন থেকে ?” ‘কোন শিক্ষাসদন ?” “ও আমায় লিখেছিল শিক্ষাসদনে যাচ্ছে। নাম ঠিকানা छांनाम्र नि क्छि ।" রায়বাহাদুর ভুরু কুচকে তাকান -'শিক্ষাসদন ? ও CVO CeCe' "জেলে ?” “ও মেয়ের কথা বোলো না। পাগলের মতো যা-তা বক্তৃতা দিয়ে সিডিসনের চাৰ্জে ছ'মাস জেলে গেছে। ফাইনের ওপর দিয়ে কাটিয়ে দিতে পারতাম, তা কোর্টে