পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


RR LS K KDB D DBBD DBSBBBD LD DDD দেখে যে, লুকাইয়া ফুলুরি। আর ঝালবড়া খাওয়াটা খুব বেশি DgEK KKE DBS LEDD BDBB uDDB DBB মনটা শু্যামার খুত খুত করে। ছেলেকে সে নানারকম উপদেশ দেয়, অসংখ্য নিষেধ জানায় । কাজ করিতে করিতে হঠাৎ একটা কথা মনে পড়িয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ছেলেকে কাছে ডাকিয়া বলে, এ যেন তুমি কখনো কোরো না বাবা, কখখনো নয় । কেন মা ?-বিধান বলে ৷ প্ৰত্যেকবার। একদিন মন্দার একখানা পত্র আসল, খুব দরদ দিয়া BBD t D DD LSDBBYS ST BD H মুখ বাকাইয়া হাসিল, বালল, বসে থাক তুমি জবাবের জন্যে হা-পিত্যেশ করে, তোমার চিঠির জাবাব আমি দিচ্ছিনে - কদিন পরে শীতলের কাছে রাখালের একখানা পোষ্টকার্ড আসিল, শ্যামা চিঠিখানা পুড়াইয়া ফেলিল, শীতলকে কিছু বলিল না। জবাব না পাইয়া একটু অপমান বোধ করুক। লোকটা । ফাকি দিয়া টাকা বাগাইয়া লওয়ার জন্য শীতল তাহাকে এমন ঘূণাই করিতেছে যে, চিঠির উত্তর দেয় না। ফাল্গুন মাস কাবার হুইয়া আসিল ৷ শীত একেবারে কমিয়া গিয়াছে। একদিন রোদ খাওয়াইয়া লেপগুলি শ্যামা তুলিয়া রাখিল। খামার শরীরটা আজকাল ভাল আছে, তিন ছেলের মার আবার শরীর-তবু, সানন্দে মনে আরেকটি সন্তানের সখ যেন উকি মারিয়া যায়, একা থাকিবার সময় অবাক হইয়া শু্যামা হাসে, কি কাণ্ড মেয়েমানুষের, মাগো । বিধান দশটার সময় ভাত খাইয়া জুতা মোজা হাফপ্যােণ্ট আর সার্ট পরিয়া স্কুলে যায়, হ্যামা তাহার চুল আঁচড়াইয়া দেয়, আঁচল দিয়া মুখ মুছিয়া দেয়,-প্ৰথম প্রথম ছেলের মুখে সে একটু পাউডার মাখিয়াও দিত, বড়লোকের ছেলেদের মাঝখানে গিয়া বসিবে, একটু পাউডার না মারিলে কি চলে ? স্কুলে ছেলেরা ঠাট্টা করায় বিধান এখন আর পাওডার মাথাইতে দেয় না। বলে, তুমি কিচ্ছ, জানো না মা, পাউডার দেখলে ওরা সবাই হাসে, সারা শুদ্ধ। কি বলে জান ?-বলে চুণ তো মেখেই এনেছিল, এবার একটু কালি মাখ, বেশ মানাবে তোকে, মাইরি ভাই, মাইরি। মাইরি বলে ? বিধানের স্থলে বড়লোকের সোনার চাদ BDDBDB BBDBDB BBg gii DDD DDDD gDDB DB খাপছাড়া মনে হয় ৷ এমনি কত কথা বিধান শিখিয়া আসে, মাইরির চেয়েও ঢের বেশি খারাপ কথা। অনেক বড় বড় শব্দও সে শিখিয়া আসে, আর সঙ্কেত, শুঙ্গামা যার মানেও বুঝিতে পারে না। তাহার অজানা এক জগতের সঙ্গে বিধান পরিচিত হইতেছে, অল্প অল্প একটু যা আভাস পায়, তাতেই খ্যামা অবাক হইয়া থাকে। সে একটা বিচিত্র গর্ব ও দুঃখ বোধ করে। বাড়িতে এখন বিধানের জিজ্ঞাসা কমিয়া গিয়াছে, প্রশ্নে মানিক-গ্ৰন্থাবলী প্রশ্নে আর সে শুষ্ঠামাকে ব্যতিব্যস্ত করিয়া তোলে না। ছাদে উঠিয়া, খানিকদূরে বাঁধের উপর দিয়া যে রেলগাড়ি BD DDS DBB DBB DEBD BD KDD DDD কমে নাই, জ্ঞান ও বুদ্ধিতে ছেলে তাহাকে ছাড়াইয়া যাইতেছে বলিয়া গর্ব ও আনন্দের সঙ্গে শ্যামার দুঃখ এইটুকু। बकूण चांदृष्छ् । সে কিন্তু মেয়ে। ছেলের মত খামার কাছে মেয়ের অত খাতির নাই। ছ। বছরের মেয়ে, সে তো বুড়ী । খ্যামা তাহাকে দিয়া দুটি একটি সংসারের কাজ করায়, মণিকে খেলা দিতে বলে, সময় পাইলে প্ৰথম ভাগ খুলিয়া একটু একটু পড়ায়। মেয়েটা যেমন দুরন্ত হইয়াছে, সেরকম মাথা নাই, কিছু শিখিতে পারে না। তাহাকে অক্ষর fuনাইতেই শ্যামার একমাস সময় লাগিয়াছে, কতদিনে কর থল শিখিবে, কে জানে। মাঝে মাঝে রাগ করিয়া শ্যাম। যেয়ের পিঠে একটা চড় বসাইয়া দেয়। বিধানও মারে। প্রথম-ভাগের পড়া যে শিখিতে পারে না, তার প্রতি বিধানের অবজ্ঞা অসীম। এক একদিন সকালবেলা হঠাৎ সে তাহার ক্লাশ-মাষ্টার অমূল্যবাবুর মত গভীর মুখ করিয়া হুকুম দেয়, এই বুকু, নিয়ে আয় তো বই তোর,-- বুকু ভয়ে ভয়ে বই লইয়া আসে, তাহার ছেড়া ময়লা প্ৰথম ভাগ খানি। ভয় পাইলে বোঝা যায়, কি বড় বড় আশ্চৰ্য দুটি চোখ বকুলের। পড়া ধরিয়া বোনের অজ্ঞতায় বিধান খানিকক্ষণ শুমার সঙ্গে হাসহাসি করে, তারপর কখন যে সে অমূল্যবাবুর মত ধ্যা করিয়া চাটি মারিয়া বসে আগে কারো, টের পাইবার যে থাকে না । শুষ্ঠামা

  • শুধু বলে, আহা খোকা, মারিস নে বাবা ।

বকুল বড় অভিমানী মেয়ে, কারো সামনে সে কখনো কঁদে না ; ছাদে চিলে কুঠির দেয়াল আর আলিসার মাঝখানে তাহার একটি হাতখানেক ফাক গোসাঘর আছে, সেইখানে নিজেকে গুজিয়া দিয়া সে কঁাদে। তারপর গোসাঘরখানাকে পুতুলের ঘর বানাইয়া সে খেলা করে। যে পুতুলটি তাহার ছেলের বৌ তার সঙ্গে বকুলের বড় ভাব, দুজনে যেন সই। তাকে শোনাইয়া সে সব মনের কথা বলে । বলে, বাবাকে সব বলে দেব, বাবা দাদাকে মারবে, মাকেও মারবে, মারবে না ভাই বৌমা ? এ্যা করে জিব বের করে দাদা মরে যাবে-মা কেঁদে মর্যবে, ह । শীতলের কি হইয়াছে শ্যামা বুঝিতে পারে না, লোকটা কেমন যেন ভোতা হইয়া গিয়াছে, দুতি ও নাই। দুঃখও নাই । সময়মত আপিসে যায়, সময়মত ফিরিয়া, আসে, কোনদিন পাড়ার অখিল দত্তোয় বাড়ি দাবা খেলিতে যায়, কোনদিন বাড়িতেই থাকে। বাড়িতে যতক্ষণ থাকে, রাগারাগিও করে না, দীনদুঃখীর মত মুখের ভাবও করিয়া রাখে না, স্ত্রী ও পুত্ৰকস্তার সঙ্গে তাহার কথা ও ব্যবহার