পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8 भांनेिक-इांबत्रौ শ্যামা বলে, দূর দূর। কি সব বলে ছেলের সামনে! শীতলের নজর পড়িয়াছে, শুষ্ঠামার ছেড়া কাপড় দেখিয়া তাহার চোখ টাটায়, শুষ্ঠামার জন্য সে রঙীন কাপড় কিনিয়া আনে । শ্যামা প্ৰথমে জিজ্ঞাসা করে, ক'টাকা নিলে ? টাকা পেলে কোথা ? হু, কটা টাকা আর পাইনে আমি-উপরি পেয়েছি কাল। একটি পয়সা তো দেও না, আমার খরচ চলে কিসে উপরি না পেলে ? খরচ চলে ? শীতল তাহা হইলে আরও উপরি টাকা পায়, খুসিমত খরচ করে, তাহাকে যেটাকা আনিয়া দেয়, । তাই সব নয় ? শুমা রাগিয়া বলে, কি রকম উপরি পাও শুনি ? * प्रभं दिशं किं, चांद्र ऊ ? নিশ্চয় আরও বেশি, মিথ্যে বলছি বাবু তুমি,--নিজে নিজে খরচ কর তো সব ? আমার এদিকে খরচ চলে না, ছেড়া কাপড় পরে আমি দিন কাটাই । আরে মুস্কিল, তাই তো কাপড় কিনে আনলাম।-- আচ্ছা তো নেমকহারাম তুমি । HH DBu BBDK DBD DDBBDBSDD DBB বলে, কি টানাটানি চলেছে বোঝা না তো কিছু, কি কষ্টে যে মাস চালাই ভাবনায় রাতে ঘুম হয় না-দুচারটে টাকা যদি পাও কেন নষ্ট করা -এনে দিলে সুসার হয়। তোমার খরচ কি ? বাজে খরচ করে নষ্ট কর বৈত নয়, যা স্বভাব তোমার জানি তো ! হাতে টাকা এলে আঙ্গুলের ফ্যাক দিয়ে গলে যায়। এবার থেকে আমায় এনে দিও, তোমার যা দরকার হবে চেয়ে নিও-আর কটা মাস মোটে, ধারটা শোধ হয়ে গেলে তখন কি আর টানাটানি থাকবে, না তুমি দশ বিশ টাকা বাজে খরচ করলে এসে যাবে ? শুষ্ঠামা বলে, শীতল শোনে। শুষ্ঠামাকে বোধ হয়। সে আর একজনের সঙ্গে মিলাইয়া দেখে, যে এমনি মিষ্টি মিষ্টি কথা ৰলিয়া বুঝাইয়া টাকা আদায় করিত, বলিত, আমার দু’খানা গয়না গড়িয়ে দে, টাকাটা তাহলে আটকা থাকবে, নইলে তুই তো সব খরচ ক’রে ফেলবি - দরকারের সময় তুই তোর গয়না বেচে নিস, আমি যদি २५0 कभी कथा कई সে এসব বলিত মদের মুখে। শুষ্ঠামা কি ? তারপর শুষ্ঠামা বলে, এ কাপড় তো পরতে পারব না। আমি ছেলের সামনে-ও অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকবে, আমার লজ্জা করবে। বাবু। না পরতে পার, ওই নদীমা রয়েছে, ওখানে ফেলে দাও b-শীতল বলে ।

রাত্রে ছেলেমেয়েরা সব ঘুমাইয়া পড়িলে শুগামা আন্তে আন্তে শীতলকে ডাকে, " বলে, হ্যাগা ঘুমূলে নাকি ?

ফুটফুটে জ্যোছনা উঠিছে দিব্যি, ছাতে যাবে একবায়টি ? শীতল বলে, আবার ছাতে কি জন্যে ?-কিন্তু সে विछीना छांछिभां ७ ।। শ্যামা বলে, গিয়ে একটা বিড়ি ধরাও, আমি আসছি। রঙীন কাপড়খানা পরিয়া শু্যামা ছাদে যায়। বড় লাজ করে শ্যামার,--শীতলকে নয়, বিধানকে। ঘুম ভাজিয়া রাত দুপুরে তার পরণে রঙীন কাপড় দেখিলে, ও যা ছেলে, ওর কি আর বুঝিতে বাকি থাকিবে, শীতলের মন ভুলানোর জন্যে সে সাজগোজ করিয়াছে ? অথচ শীতল সখা করিয়া কাপড়খানা আনিয়া দিয়াছে, একবার না পরিলেই बl bलिc cकन ? শ্যামা মাদুর লইয়া যায়, মাদুর পাতিয়া দুজনে বসে ঃ চাদের আলোয় বসিয়া দুজনে দুটো একটা সাংসারিক কথা বলে, বেশি সময় থাকে চুপ করিয়া। বলার কি আর কথা আছে ছাই এ বয়সে । হঁ্যা, শীতল শ্যামাকে একটু আদর করে, শীতলের স্পর্শ আর তেমন মোলায়েম নয়, কখনো যেন স্ত্রীলোকের সঙ্গ পায় নাই, এমনি আনাড়ির মত আদর করে। শ্যামা দোষ দিবে কাকে ? সেও তো কম মোটা श्व नांदे ! তারপর একদিন শ্যামা সলজ ভাবে বলে, কি কাণ্ড हcअCछ छोंने ? শীতল শুনিয়া বলে, বটে নাকি ! শ্যামা বলে, হঁ্যা গো, চোখ নেই তোমার ?--কি হবে বলত এবার, ছেলে না মেয়ে ? Go(Uቕ፬ | উহু, ছেলে-বুকু বেঁচে থাক, আমার আর মেয়েতে কাজে নেই বাবু। বলিয়া শ্যামা হাসে। মধুর পরিপূর্ণ হাসি, দেখিয়া কে বলিবে, শীতলের মত অপদাৰ্থ মানুষ তাহার মুখে এ হাসি যোগাইয়াছে। Dis মাঝখানে একটা শীত চলিয়া গেল, পরের শীতের গোড়ার দিকে, খামার নূতন ছেলেটির বয়স যখন প্ৰায় আট মাস, হঠাৎ একদিন সকালবেলা মামা আসিয়া হাজির । শুষ্ঠামার সেই পলাতক মামা তারাশঙ্কর । ছোট খাট বেঁটে লোকটা, হাত পা মোটা, প্ৰকাণ্ড চওড়া বুক। একদিন ভয়ঙ্কর বলবান ছিল, এখন মাংসপেশীগুলি শিথিল হইয়া আসিয়াছে। শেষবার শুঠাম৷ যখন তাহাকে দেখিয়াছিল মাথার চুলে তাহার পাক ধরে নাই, এবার দেখা গেল প্ৰায় সব চুল - পাকিয়া গিয়াছে। সে তো আজকের কথা নয়।” খামার বিবাহের কিছুদিন পয়ে জমিজমা বেচিয়া গ্রামের সব চেয়ে বনেদী' ঘরেী