পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


کb\ সঙ্গে সর্বদা দেখাসাক্ষাৎ করিতে, এখন সেও আর যায় না । রাগ করিয়া শ্যামাকে সে বলে, এমনি লাজুক হলে কি হবে, মোহনী বড় অহঙ্কারী মা,- কতবার গিয়েছি আমি, BB DBBDD BDBDS sK BDBDBD BDDS D DBDB বাবুর আসা হয় না, তারি জামাই আমার -এদিকে তো মাছিমারা কেরানী পোষ্টাপিসের । কিন্তু মোহিনী একদিন বিনা আহবানেই আসিল । লজ্জায় মুখ রাঙা করিয়া বিধানের কাছে সে স্বীকার করিল যে বকুলের চিঠি পাইয়া সে আসিয়াছে। বকুলকে এখন একবার আনা দরকার। পনের দিনের ছুটি লইয়া সে বাড়ি যাইতেছে, ইতিমধ্যে খ্যামা যদি তাহার পিসিকে একখানা চিঠি লিখিয়া দেয়। আর চিঠির জবাব আসার আগেই বিধান যদি সেখানে গিয়া পড়ে, বকুলকে পাঠানের একটা ব্যবস্থা মোহিনী। তবে করিতে পারে। মোহিনীর কথাবাৰ্ত্তা বিধানের কাছে হেঁয়ালির মত লাগে, সে বলে, বোসো তুমি, মাকে বলি। cगांश्निी नएल, नों न, चांगि Cigल बलवन । DB S DDLSS DDD DS KBD DB BDBDBBK BD BBBDD ঘোরপ্যাচ কে বুঝিতে পরিবে ? বিধান শামাকে সব শোনায় । শুনিবা মাত্র ব্যাপার আঁচ করিয়া শান্ত নির্বাক শুষ্ঠােমার সহসা আজ দেখা cन उग्ाक्षद्भ° Jरgऊ । কই মোহিনী ? ডাক খোকা, মোহিনীকে ডাক । শ্যামার চোখ ছল ছল করে। আসিবার জন্য তাই বকুল ইদানিং এত করিয়া লিখিতেছিল। ৩ারা আনিবার ব্যবস্থা করিতে পারে নাই বলিয়া মেয়ে তার জামাইকে এমন চিঠি লিখিয়াছে যে, বিনা নিমন্ত্রণে যে কখনো আসে না সে যাচিয়া আসিয়াছে বকুলকে আনানোর ষড়যন্ত্র করিতে, ছুটি লইয়া যাইতেছে বাড়ি ! মোহিনীকে কত জেরাই যে শু্যাম করে | সজল চোখে কতবার যে সে মোহিনীকে মনে করাইয়া দেয়। তার হাতে যেদিন মেয়েকে সঁপিয়া দিয়াছিল সেইদিন হইতে শুমারি ছেলের সঙ্গে তার কোন পার্থক্য নাই, বিধান যেমন মোহিনীও তেমনি শ্যামার কাছে। অনুযোগ দিয়া বলে, তোমার বাড়ির কারুর কি উচিত ছিল না। বাবা একথাটা আমায় লিখে জানায় । আমি তার মা, আমি জানতেও পেলাম না ক'মাস কি বৃত্তান্ত ? পিসি না বুঝকি, তুমি তো বোঝা বাবা মার দুঃখু? মোহিনীকে সে-বেলা এখানেই খাইয়া যাইতে হয়। জামাই কোনদিন পর নয়, তবু আজি মোহিনী যেন বিশেষ করিয়া আপন হইয়া যায়। মনটা ভাল মোহিনীর, বকুলের জন্য টান আছে মোহিনীর, না। আসুক সে নিমন্ত্রণ না করিলে, অবুঝ গোয়ার সে নয়, মধুর স্বভাব তার। চার পাঁচদিন পরে বিধান গিয়া বকুলকে লইয়া আসিল । বলিল, উঃ মাগো, কি গালটা পিসি আমাকে দিলে। মানিক-গ্ৰন্থাবলী বাড়িতে পা দেয়া থেকে সেই যে বুড়ি মুখ ছুটিাল মা, থামল গিয়ে একেবারে বিদায় দেবার সময়, অমঙ্গল হবে ভেবে তখন বোধ হয় কিছু বলতে সাহস হ’ল না, মুখ গোমড়া করে দাড়িয়ে রইল। আমি আর যাচ্ছিনে বাবু খুকির শ্বশুরবাড়ি এ জন্মে। বকুল তো আসিল, এ কোন বকুল ? একি রোগা শরীয় বকুলের, নিম্প্রভ কপোল, ভীরু চোখ, কান্তিবিহীন মুখ, লাবণ্যহীন বৰ্ণ ? মেয়েকে তার এমন করিয়া দিয়াছে ওরা -পেট ভরে খেতেও ওরা তোকে দিত না বুঝি খুকি ? খাটিয়ে মারত বুঝি তোকে দিনরাত ? আমি কি জানতাম মা এত তোকে কষ্ট দিচ্ছে 1 আনবার জন্তে লিখতিস, ভাবতাম আসবার জন্যে মন কেমন করছে তাই बJiभूल श्अछिग-coliए कoiल वामांद्म ! শ্যামার মুখে হঠাৎ যে খিল পড়িয়াছিল, বকুল আসিয়া যেন তা খুলিয়া দিয়াছে। সেটা আশ্চৰ্য নয়। মনের অবস্থা অস্বাভাবিক হইয়া আসিলে এই তো তার সবার বড় চিকিৎসা, এমনি ভাবে মশগুল হইতে পারা জীবনের স্বাভাবিক বিপদে সম্পদে, যার মহা সমন্বয় সংসারধৰ্ম্ম । বহু দিনের দুর্ভাবনায়, বনগার পরাশ্ৰিত জীবনযাপনে, শ্যামার মনে যদি বৈকল্য আসিয়া থাকে, ছেলের চাকরি, অন্ধ মেয়ের জন্ম, বকুলের এভাবে আসিয়া পড়া, এততেও সেটুকু কি শোধরাইবে না । আগের মত হওয়া শু্যামার পক্ষে আর সম্ভব নয়, তবু পরিবর্তিত পরিশ্রান্ত ক্ষয় পাওয়া শ্যামার মধ্যে একটু শক্তি ও উৎসাহ, একটু চাঞ্চল্য ও মুখরতা এখন আসিতে পারে, আসিতে পারে জীবনের হাসি-কান্নার আরও তেজী মোহ, সুখের নিবিড়ােতর স্বাদ । মহোৎসাহে শুমা বকুলের সেবা আরম্ভ করিল। বনগাঁয়ে চুরি করিয়াবিধানকে সে ভাল জিনিস খাওয়াইত, এখানে নিজের মুখের খাবারটুকু সে মেয়ের মুখে তুলিয়৷ দিতে লাগিল। নব্বই টাকা আয়ে তো কলিকাতা শহরে রাজার হালে থাকা যায় না, নিজেকে বঞ্চিত না করিয়া মেয়েকে দিবার দুধ টুকু ঘিটুকু ফলটুকু কোথায় পাইবে সে ? কচি মেয়ে মাই খায়, শ্যামার নিজেরও দারুণ ক্ষুধা, পাতের মাছটি তবু সে বকুলের থালায় তুলিয়া দেয়, মণিকে দিয়া চিনিপাত দই আনায় দু’পয়সার, বলে, দই মুখে রুচিবে লো, ভাতকটা সব মেখে খেয়ে নে চেছে পুছো, লক্ষ্মী খা । দই খেলে আমার বমি আসে, তুই খ তো। ওমণি, দে বাৰী, একটু আচার এনে দে দিদিকে। বকুলকে সে বসাইয়া রাখে, কাজ করিতে দেয় না। দেখিতে দেখিতে বকুলের চেহারার উন্ন তা হয়। কিন্তু দুস্থিল বাধায় সরযু বলে, মেয়েকে কাজকর্ম করতে দিচ্ছ না, এ কিন্তু ভাল নয়। ভাই । শুষ্ঠামা বলে, খেটে খেটে সারা হয়ে এল, ওকে আর কাজ করতে দিতে কি মন সরে দিদি ? অল্পবিস্তর কাজ ধরতে