পাতা:মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচনাসমগ্র প্রথম খণ্ড.djvu/৪৯৫

উইকিসংকলন থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


bang labooks. in গ্রন্থপরিচয় 8SG অতসী মামী ‘অতসী মামী’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় মুদ্রিত গ্রন্থ ও প্রথম গল্পসংগ্ৰহ। গ্রন্থটির প্রথম প্রকাশকাল আগস্ট ১৯৩৫, আযাঢ় ১৩৪২ ; প্রকাশক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যাণ্ড সন্স, পৃষ্ঠা ৬ + ২৬৭, মূল্য দুন্ টাকা। প্রথম সংস্করণে প্রকাশকাল উল্লিখিত হয়নি, পরবর্তীকালে এটি নির্ণীত হয়েছে। প্রথম সংস্করণের অন্তর্গত গল্পগুলির সংখ্যা দশা, নাম যথাক্রমে ; অতসী মামী, নেকী, বৃহত্তর মহত্তর, শিপ্রার অপমৃত্যু, সর্পিল, পোড়াকপালী, আগন্তক, মাটির সাকী, মহাসঙ্গম, আত্মহত্যার অধিকার। , অতসী মামী গল্প লিখে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যক্ষেত্রে প্রবেশ-সংক্রান্ত একটি উল্লেখযোগ্য বিবরণ লেখক স্বয়ং বিবৃত করেছেন ‘গল্প লেখার গল্প” শীৰ্ষক একটি কথিকায় (বেতার ভাষণ, ১২ মে ১৯৪৫ অল ইন্ডিয়া রেডিয়ো কলকাতা কেন্দ্রে প্রচারিত, পরে জ্যোতিপ্রকাশ বসু সম্পাদিত বেঙ্গল পাবলিশার্স কর্তৃক ১৩৫৩-এ প্রকাশিত 'গল্প লেখার গল্প” গ্রন্থে ও নিউ এজ কর্তৃক ১৩৬৪-তে প্রকাশিত ‘লেখকের কথা” গ্রন্থে সংকলিত)। প্রাসঙ্গিক বিবরণ উদ্ধৃত হল : BD E0E0aS SgrTtBB BBBS BBES EBuBDSDD BSBBBSS BBB BBBD BBSBSS BBBB BBDB LBLBuuO uDBB g BuEEE E SLDLL S ggsLL LOOO DuB Bg uBBt gDBuDD gBBggBBE LDLDS uTgB BBSTuBBS BBBDtg ৩ালকা ভাবপ্রবণতাশা চিহ্নও নেই। -- ক্লাশে বসে মুগ্ধ হযে, লেকচাব শুনি, লেবরেটরীতে মশগুল হযে, এক্সপেরিমেন্ট কবি নতুন এক বঙ্গসামধা জগতের তাজাব সংকেত মনের মধ্যে ঝিকমিকিযে বায! একদিন কলেজেব কযেকজন বন্ধু সাহিতা নিযে আলোচনা করছে। . আলোচনা গাডাতে গড়াতে এসে ঠেকলো মাসিকপত্রেব সম্পাদকদেব বুদ্ধিহীনতা, পক্ষপাতিত্ব, দলাদলিপ্রবণতা ও উদাসীনতায় ; নামকলা লেখক ছাড়া ওবা কাবুব লেখা ছাপায় না। দলেব লেখক হলে ছাপায—ব্যস। অন্য কেউ পাও" Շilna niլ է . তর্কে আমাব চিবদিনের বিতৃষ্ণ । অবিবেচক ছেলেটার অন্যায় মন্তব্যে বড় রাগ হলো! বললাম, ‘কেন বাজে কথা বকিছো ? ভালো লেখা কি এত সস্তা যে, হাতে পেযেও সম্পাদকেবা ফিবিযে দেবেন ? মাসিকগুলি তো পড়, মাসে কাটা ভালো গল্প বেবোধ দেখেছে ? সম্পাদকেরা কি পাগল যে ভালো গল্প ফিবিয়ে দিধে বাজে গল্প ছাপবে% ভালো দূবে থােক, চলনসই একটা গল্প পেলে সম্পাদকেরা নিশ্চয় সংগ্রঙ্গে সেটা ছেপে দেয়।” খানিক তর্কের পাব প্রশ্ন হলো “তুমি কি কবে জানলে, প্ৰবোধ গ প্ৰবোধ ? প্ৰবোধ আবাবা কে ? পুরানো দিনেল কথা বলার কি বিপদ। এখানে আবােব বলে নি৩ে হবে যে, মানিক বন্দোপাধ্যাযেব আসল, অফিসিযাল নাম ছিল শ্ৰী প্ৰবোধকুমাব বন্দোপাধ্যায-মানিক নামে তাকে ডাকতে শুধু বাড়িব লোক । অনেক কথা কাটাকাটিব পাব বাজি রাখা হলো।.. বাজি হলো এই। আমি একটি গল্প লিখে তিনমাসেব মধ্যে ভারতবর্য, প্রবাসী বা বিচিত্রায় ছাপিয়ে দেব। ভাবতে লাগলাম কি নিয়ে গল্প লিখবো । প্রেমের গল্প ? হাঁয়া, প্রোমেব গল্পই লিখতে হবে। বাংলা মাসিকেব প্রায় সবগল্পই একরকম প্রেম নিয়ে ঘুরিয়ে ফিবিযে লেখা হয়। একটা ছেলে আব্ব একটা মেযে, তাদেব প্রেম হলো, বিয়েতে বাধা পড়লো, বাধা কেটে মিলন হলো, এইবকম গল্প একটা লিখবো ফেনিযে ফঁাপিয়ে! মন সায় দিল না। মন বলল, প্রেমের গল্প লিখতে চাও লেখো, কিন্তু পঢ়া দুৰ্গন্ধ ছ্যাবলামিব গল্প লিখো নাবাংলার ছেলেমেয়েগুলো যে গোল্লায় গেল এরকম গল্প পড়ে পড়ে।. তখন মনে পড়লো পূর্ববঙ্গের এক স্বামী-স্ত্রীর কথা। বাস্তব জীবনে নাটকীয় প্রেমের চবম অভিজ্ঞতা ওদের দেখেই আমি পেয়েছিলাম। স্বামী বঁশি বাজাতেন। বাঁশের বঁশি নয়, ক্ল্যারিওনেট। প্রায পায়ে ধরে তঁাকে আসরে বাজাতে নিয়ে যেতে হতো-গিয়েও খুশি হলে বাজাতেন, নইলে বাজাতেন না। বাড়িতে বাজাতেন—শুধু স্ত্রীকে শ্ৰোতা রেখে। বছরখানেক আমি শুনেছিলাম। বেশিক্ষণ বাজালে তার গলা দিয়ে রক্ত পড়তো। এদের অবলম্বন করে এক ঘোরালো ট্র্যাজিক প্লট গড়ে তুলে গল্প লিখলাম। নাম দিলাম। অতসীমামী। ভাবলাম, এই উচ্ছাসময় গল্প, এই নিছক পাঠকের মন ভুলানাে গল্প, এতে নিজেব নাম দেব না। পরে যখন