পাঁচশত অশ্বারোহী বরযাত্র লইয়া চিতোর যাত্রা করিলেন। কিন্তু তাঁহার মন সন্দেহ দোলায় দুলিতে লাগিল, মুখে কিছুই প্রকাশ করিলেন না। চিতোরের দ্বারে উপস্থিত হইয়া দেখেন, বিবাহ-তোরণ নাই, সন্দেহ কিঞ্চিৎ দৃঢ়ীভূত হইল। কিন্তু মালদেবের পঞ্চ পুত্র চিতোরের দ্বারে সমারোহে তাঁহাকে অভ্যর্থনা করিলেন। সহরে প্রবেশ করিলেন, কোন প্রকার আনন্দের চিহ্ন দেখিলেন না। ক্রমে প্রাসাদে প্রবেশ করিলেন, দেখিলেন গীতবাদ্য নাই, লোক সমাগম নাই, ভাবিলেন, “এ কি বিবাহ?” মালদেব এবং তাঁহার পুভ্রগণ বরকে আদর অভ্যর্থনা করিতে ত্রুটী করিলেন না। কিন্তু বিবাহ বাটীর আর কোন চিহ্নই হামির দেখিতে পাইলেন না। তাঁহার মন সন্দেহে অস্থির হইয়া উঠিল এবং আসল কার্য্যের কিরূপ ব্যবস্থা হয় দেখিবার জন্য তিনি অপেক্ষা করিতে লাগিলেন। ক্রমে বিবাহের লগ্ন উপস্থিত হইল। বিবাহ মণ্ডপে বর নীত হইল। কিন্তু বিবাহ সভা শূন্য, কেহ কোথাও নাই,— হামির তখনও নীরব। ক্রমে পুরোহিত, কন্যা, কন্যার পিতা, ভ্রাতা সকলেই উপস্থিত হইলে বিধিপূর্ব্বক বিবাহ হইল। হামির তখনও ভাবিতেছেন কাহাকে বিবাহ করিলাম, একি
পাতা:মিবার-গৌরব-কথা - হেমলতা দেবী.pdf/২৮
অবয়ব
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
২০
মিবার-গৌরব-কথা।