পাতা:মিবার-গৌরব-কথা - হেমলতা দেবী.pdf/৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হামিরের বিবাহ।

২৫

কর্ম্মচারী জালের সহিত চিতোরে যাত্রা করিলেন। যাইবার সময় হামিরকে ডাকিয়া বলিলেন “আমি জালের সহায়তায় চিতোরের প্রধান প্রধান সর্দ্দারদিগকে হস্তগত করিবার চেষ্টা করিব, তুমি সসৈন্যে চিতোর আক্রমণ করিবে, তাহা হইলে তোমার পক্ষে চিতোর জয় নিতান্ত দুঃসাধ্য হইবে না।”

 হামির বলিলেন “সমুখ সমরে আমার হস্তে তোমার পিতার নিধন হইলে তুমি আমাকে মার্জ্জনা করিবে কি? আমার পরম শত্রু হইলেও তিনি ত তোমার পিতা।” হামির পত্নী বলিলেন “তোমার হস্তে আমার পিতার নিধন আমি ইচ্ছা করি না; তুমি আমার পিতার জীবন অব্যাহতি দিও। তবে আমি তোমাকে চিতোরের সিংহাসনে উপবিষ্ট দেখিতে চাই। তুমি চিতোরের রাণা হইবে ইহা অপেক্ষা আমার অধিক সুখের বিষয় আর কি হইতে পারে?”

 হামিরের পত্নী চিতোরে উপস্থিত হইয়া দেখেন পিতা কোথায় সসৈন্যে যুদ্ধযাত্রা করিয়াছেন। বড়ই সুযোগ উপস্থিত; পিতার সহিত পতিকে সম্মুখ সমরে প্রবৃত্ত হইতে হইবে না। এই ভাবিয়া অচিরে স্বামীকে এই সুসংবাদ পাঠাইলেন। হামির সসৈন্যে চিতোর আক্রমণ