হইতে পারিলেন, ও তাহার প্রমাণই বা কি?” উত্তরে তিনি কহিলেন, “যে কথা একজন বিলাতীয় মিসের মুখ হইতে বাহির হইয়াছে, তাহাতে কি আর কোনরূপ সন্দেহ হইতে পারে? আপনারা মনে কেন যাহাই ভাবুন না, ও যতই কেন অনুৎসন্ধান করুন না, আপনারা ঠিক জানিবেন যে, বৃদ্ধ আত্মহত্যা করিয়াছেন।”
পঞ্চম পরিচ্ছেদ।
ইংরাজকর্ম্মচারীর কথা আমরা শ্রবণ করিলাম বটে, কিন্তু সেই কথার উপর আমরা আর কোনরূপেই আস্থা স্থাপন করিতে পারিলাম না। কারণ, রমণীর যে পিতা ভিন্ন জগত আর কেহই নাই; যাঁহার মৃত্যুতে তাঁহাকে একেবারে চতুদ্দিক অন্ধকার দেখিতে হইবে, যাঁহার অবর্ত্তমানে সংসারের সমস্ত ভার যাহার উপর সম্পূর্ণভাবে অর্পিত হইবে, তাঁহার মৃত্যুতে মিসের কোনরূপ দুঃখ হইয়াছে বলিয়া অনুমান হইল না। বিশেষ বুদ্ধ জুবেয়ার আত্মহত্যা করিয়াছেন বলিয়া নানারূপ যুক্তি প্রদর্শন পূর্ব্বক অনুসন্ধানকারী পুলিস-কর্ম্মচারীগণকে বুঝাইতে চেষ্টা করিতে লাগিলেন। অথচ পুলিস-কর্ম্মচারীগণ কিরূপ অনুসন্ধান করিতেছেন, তাহা দেখিবার নিমিত্ত এক-