বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:মিস্‌ মেরি - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় (১৯০১).pdf/৩১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
মিস্ মেরি।
৩১

রূপ সন্তুষ্ট হন; এবং সেই যুদ্ধ সংবাদ ইংলণ্ডে প্রকাশ কালীন, তিনি তাহাতে আমার বিশেষরূপ বীরত্বের কথা বিবৃত করিয়া, পরিশেষে ইহাতে লিখিয়া দেন যে, “এই যুদ্ধে যদি জুবেয়ার না থাকিতেন, বা তিনি আমাকে যেরূপ ভাবে রক্ষা করিয়াছিলেন, তাহা না করিতেন, তাহা হইলে আমার জীবন ত রক্ষা পাইতই না; অধিকন্তু সেই যুদ্ধে জয় লাভ না হইয়া সকলকে শত্রুহস্তে পড়িতে হইত।” সেনাপতি আমার বিষয়ে এইরূপে বিলাতীয় কর্ম্মচারী বা মহাসভার কর্ণগোচর করিবার অতি অল্পদিবস পর হইতেই আমি সামান্য পদাতিকের পদ হইতে বিনা-পরীক্ষার উচ্চতর কর্ম্মচারীর পদে উন্বিত হই। এবং ক্রমে ক্রমে দলের নেতৃত্ব পদ পর্য্যন্ত প্রাপ্ত হই। যখন আমি এই সকল কার্য্যে নিযুক্ত ছিলাম, সেই সময় হইতেই আমি কিছু অর্থের সংস্থান করিতে সমর্থ হইয়াছিলাম। পরিশেষে একটী যুদ্ধে আমার ভাগ্যলক্ষ্মী অতিশয় সুপ্রসন্ন হয়। সেই যুদ্ধে আমার হস্তে যে পরিমিত অর্থ পতিত হইয়াছিল, তাহা হইতেই আমি একাল করিয়া আসিতেছি। পর্য্যন্ত সুখে ও স্বচ্ছন্দে কাল যাপন যে সময় আমার হস্তে প্রচুর পরিমাণে অর্থ আসিয়া উপস্থিত হয়, তাহার অল্পদিবস পরেই আমি পরিণয়-সূত্রে আবদ্ধ হই। আমার স্ত্রীর জন্মস্থানও ইয়ুরোপের কোন এক স্থানে। তিনিও একজন সেনাপতির কন্যা। আমি পরিণয়-সূত্রে আবদ্ধ হইবার অতি অল্প দিবস পরেই, কোন একটী যুদ্ধের কিয়ৎ পরিমাণ তার আমার উপর ন্যস্ত হয়, এবং সেই স্থানে বাহিনীর সহিত গমন করিতে আমার উপর আদেশ হয়। সেই সময় আমার স্ত্রী অতিশয় পীড়িতা ছিলেন; সুতরাং তাঁহাকে তখন সেই