লাগিলাম। উহারই একস্থানে দেখিতে পাইলাম যে, উইলের খসড়া ও পত্র সেই উকীলের নিকট প্রেরিত হইয়াছে ও একজন ইংরাজ উহাতে স্বাক্ষর করিয়া উহা গ্রহণ করিয়াছেন। ইহা দেখিয়া ঐ পিয়ন-বই হস্তে লইয়া পুনরায় সেই উকীলের বাড়ীতে গমন করিলাম ও তাঁহাকে উহা দেখাইলে, তিনি কহিলেন যে, ইহাতে লিখিত পত্র ও উইলের খসড়া তিনি প্রাপ্ত হন নাই, ও উহাতে যে স্বাক্ষর রহিয়াছে, তাহা তাঁহার আফিসের কাহারও স্বাক্ষর নহে। উকীলের নিকট এই অবস্থা শ্রবণ করিয়া আমাদিগের মনে আরও ভয়ানক সন্দেহের উদয় হইল। পুনরায় বৃদ্ধের বাড়ীতে আগমন করিয়া ঐ বাড়ীর দরোয়ান প্রভৃতি সমস্ত পরিচারকগণকে একত্র করিলাম, ও সকলকে সেই পুস্তক দেখাইয়া জিজ্ঞাসা করিতে লাগিলাম যে, বৃদ্ধের মৃত্যুর পূর্ব্ব দিবস কোন কাগজ বা পত্রাদির সহিত ঐ পুস্তক বৃদ্ধ কাহার হস্তে অর্পণ করিয়াছিল, ও সেই বা উহা কি করিয়াছে।
প্রত্যেকের নিকট এইরূপ অনুসন্ধান করিতে করিতে তাহাদিগের মধ্য হইতে একজন দ্বারবান্ কহিল “খুব বড় একখানি চিঠির সহিত আমার মনিব উহা আমাকে প্রদান করিয়াছিলেন” দ্বারবানের এই কথা শুনিয়া আমি তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম “তোমাকে তিনি কি বলিয়া উহা প্রদান করিয়া ছিলেন?”
দ্বারবান্। আমাকে বলিয়া দিয়াছিলেন, ইহাতে যে উকীলের নাম লেখা আছে, সেই উকীলের বাড়ীতে ইছা দিয়া আইস।