করিতেছেন, তখন এই কার্য্য হইতে আমাদিগেরও নিষ্কৃতি হওয়া কর্ত্তব্য; কারণ এই মোকদ্দমার যদি কিনারা না হয়, তাহা হইলে আমাদিগের অনিষ্ট হইবার কোনরূপ সম্ভাবনাই নাই; কিন্তু এই মোকদ্দমার কিনারা করিতে গিয়া যদি মিসের অনিষ্ট করিবার চেষ্টা করি, তাহা হইলে আমাদিগের পদে পদে বিপদ ও বিশেষরূপ অনিষ্ট হইবার সম্ভাবনা আছে।” কেহ কহিলেন “যখন আমরা বেশ বুঝিতে পারিতেছি যে, এই কার্য্য মেরির দ্বারা সম্পন্ন হইয়াছে, তখন কর্ত্তব্য-কর্ম্মের অনুরোধে আমাদিগকে এই কার্য্য হইতে পশ্চাৎপদ হওয়া কোনরূপেই কর্ত্তব্য নহে। আমাদিগের অদৃষ্টে যাহাই থাকুক না কেন, আমরা একবার মিস্কে লইয়া অনুসন্ধান করিব ও তাঁহাকে দস্তুরমত জিজ্ঞাসাবাদ করিয়া দেখিব যে, তিনি আমাদিগের কথার কিরূপ উত্তর প্রদান করেন।”
এই অনুসন্ধানে নিযুক্ত সমস্ত দেশীয় কর্ম্মচারীগণ একস্থানে উপবেশন করিয়া এইরূপ পরামর্শ করিতেছি, এমন সময় আর একজন ঊর্দ্ধতন ইংরাজ-কর্ম্মচারী সেই স্থানে আসিয়া উপস্থিত হইলেন ও আমাদিগকে জিজ্ঞাসা করিলেন “তোমরা সকলে একস্থানে বসিয়া কি করিতেছ? এইরূপে একস্থানে বসিয়া থাকিলে কি এই মোকদ্দমার কিনারা হইবে?”
যে ইংরাজ-কর্ম্মচারী আমাদিগকে এই কথা কহিলেন, তাঁহার জন্মস্থান খাস বিলাতে ও তাঁহার বয়ঃক্রমও খুব অধিক নহে। অপরাপর ইংরাজ-কর্ম্মচারিগণের সহিত তাঁহার প্রায়ই মতের মিল হইত না, অথচ তিনি কখন অপরের মতে মত দিয়া কোন কার্য্যে হস্তক্ষেপ করিতেন না। ভাল হউক বা মন্দ হউক,