বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:মিস্‌ মেরি - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় (১৯০১).pdf/৪৭

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
মিস্ মেরি।
৪৭

মঙ্গল চাহ, তাহা হইলে প্রকৃত কথা কহ। নতুবা তোমাদিগের হন্তে বৃদ্ধের যে অবস্থা ঘটিয়াছে, আমার হস্তে তোমাদিগেরও সেই অবস্থা ঘটিবে।” কর্ম্মচারীর কথা শুনিয়া তাঁহারা সমস্তই অস্বীকার করিলেন। কিন্তু ঐ কর্ম্মচারী তাঁহাদিগের কোন কথায় বিশ্বাস না করিয়া, মিস্ মেরি যে ঘরে থাকিতেন, সেই ঘর অনুসন্ধান করিতে আমাদিগকে আজ্ঞা প্রদান করিলেন। আমরা কেবলমাত্র যে আদেশের অপেক্ষা করিতেছিলাম, সেই আদেশ পাইবামাত্রই ঐ ঘর উত্তমরূপে দেখিতে আরম্ভ করিলাম। মেমের দেরাজের ভিতর উইলের খসড়া ও সেই উকীলের পত্র পাওয়া গেল। উহা সেইস্থানে কিরূপে আসিল, মেম সাহের তাহার কোনরূপ সন্তোষজনক উত্তর প্রদান করিতে পারিলেন না। এদিকে আর একটী আলমারী হইতে একটী প্রুসিক এসিডের শিশিও বাহির হইল। ঐ শিশির প্রায় এক-চতুর্থ অংশ শূন্য। ঐ ঔষধ কিরূপে তাঁহার ঘরের ভিতর আসিল, তাহাও তিনি আমাদিগকে উত্তমরূপে বুঝাইতে পারিলেন না। তিনি এ সম্বন্ধে অনেক বার অনেক রূপ বলিবার পর শেষে কহিলেন, লাইব্রেরীর ভিতর টেবিলের উপর উহা পড়িয়াছিল, সেইস্থান হইতে তিনি উহা আনিয়া নিজের নিকট রাখিয়া দিয়াছেন। সে যাহা হউক, পরিশেষে উভয়েই ধৃত হইলেন, ও উভয়েই সমস্ত কথা স্বীকার করিলেন। আমরা যেরূপ অনুসন্ধান পাইয়াছিলাম, বা আমরা যেরূপ অনুমান করিয়াছিলাম, তাঁহারও পরিশেষে সেইরূপই কহিলেন। তখন সকলেই জানিতে পারিলেন যে, ঐ উইলই বৃদ্ধের মৃত্যুর কারণ, ও মিস্ মেরিই স্বহস্তে ঐ