বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:মুর্শিদাবাদের ইতিহাস-প্রথম খণ্ড.djvu/২৮০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

তৃতীয় অধ্যায়। ২২৫ করিত। বর্তমান কালেও শিবরাত্রির সময়ে কপিলেশ্বরের উৎসব হয় ও তথায় একটী মেলাও বসিয়া থাকে। জয়রাম রায়ের নিৰ্ম্মিত কপিলেশ্বর মন্দির বহুদিন হইল গঙ্গাগৰ্ভস্থ হইয়াছে। তাহার ভগ্নাবশেষ কপিলেশ্বরের প্রস্তরখণ্ড ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত হইয়া রহিয়াছে। বর্তমান অবস্থা । কিছু দূরে ইষ্টক নিৰ্ম্মিত সোপানাবলী দেখা যায়। বর্তমান মন্দির ১২৪১ সালে মাহাতাগ্রামনিবাসী জগমোহন মাহাত নিৰ্ম্মাণ করাইয়া দেন। উক্ত মন্দির শক্তিপুরের উত্তর-পূৰ্ব্ব সীমান্তে অবস্থিত ; শক্তিপুর পূৰ্ব্বে পলাশী পরগণার অন্তর্গত ও কৃষ্ণনগরাধিপের অধিকারভুক্ত ছিল, এক্ষণে পলাশী হইতে খারিজ হইয়াছে। শক্তিপুরের উত্তরাংশে কপিলেশ্বরের সম্পত্তি দেবোত্তর, এই অংশের নাম শিবপুর। এক্ষণে শিবপুর অর্থাৎ শক্তিপুরের দেবোত্তর অংশ নদীয়ারাজের অধিকারে আছে । কিন্তু শক্তিপুর কাশীমবাজারের মহারাজ মনীন্দ্রচন্দ্র নদীর সম্পত্তি। কপিলেশ্বরের বর্তমান মন্দিরের প্রায় এক রশি পূৰ্ব্বে ভাগীরথী। বর্ষাকালে গঙ্গার জল মন্দিরের পূর্ব পার্শ্বে সংলগ্ন হয়। মন্দিরের বাহিরে প্রায় দেড় ক্রোশ দূরে দ্বারকা বা বাবল নদী। উভয় নদী একটা নালা দ্বারা সংযুক্ত ; ঐ নালার নাম ডাকরা, ডাকরা দিয়া বর্ষাকালে নৌক যাতায়াত করে। ডাকরার দক্ষিণ দিকে শক্তিপুর গ্রাম, ও উত্তরে কপিলেশ্বরের মন্দির এবং তৎসংলগ্ন ভূমি। কপিলেশ্বরের বর্তমান মন্দির ইষ্টক নিৰ্ম্মিত ও দক্ষিণধারী। দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ হাত, প্রস্থও ১৮ হাত, উচ্চতা প্রায় ৪• হাত হইৰে । মন্দিরের পশ্চাতে আম, কঁঠাল ও বিব প্রভৃতি বৃক্ষ আছে, দক্ষিণ-পশ্চিমে কিছু দূরে এক মাম