8(R মুর্শিদাবাদের ইতিহাস । গ্রহণ করিয়াছিলেন বলিয়া শুনা যায়। উক্ত জমীদারীবনেদাবস্তে রঘুনন্দনও যথেষ্ট পরিশ্রম করিয়াছিলেন বলিয়া কথিত হইয়া থাকে। যাহা হউক, দর্পনারায়ণ সেই সময়ে খালসা বিভাগের কর্তা থাকায় জমা কামেল তুমারীর জন্য র্তাহাকে যে অত্যন্ত পরিশ্রম করিতে হইয়াছিল সে বিষয়ে সন্দেহ নাই। জমা কামেল তুমারীর বন্দোবস্তে বাঙ্গলার রাজস্ব বৰ্দ্ধিত হওয়ায়, জমীদারগণ দর্পনারায়ণকে সমস্ত বন্দোবস্তের মূল বিবেচনা করিয়া তাহার প্রতি অসন্তুষ্ট হন। ক্রমে রাজস্ব আদায়সম্বন্ধে নানা রূপ গোলযোগ উপস্থিত হওয়ায় ছল ধরিয়া, তাহারা নবাব মুর্শিদকুলী খাঁর নিকট দর্পনারায়ণের বিরুদ্ধে অভিযোগ উপস্থিত করেন। কুলী খাঁ দর্পনারায়ণকে দোষী স্থির করিয়া তাহার হস্ত হইতে খালসার সমস্ত কাগজপত্র গ্রহণ করার ছলে র্তাহাকে কারারুদ্ধ করেন। মুসলমান ঐতিহাসিকগণ বলিয়া থাকেন যে, কুলী খাঁ পূৰ্ব্ব ক্রোধের প্রতিশোধের জন্ত তাহাকে কারারুদ্ধ করিয়া অনাহারে রাখিতে বাধ্য করিয়াছিলেন । তজ্জন্ত কারাগারেই তাহার মৃত্যু সংঘটিত হয়। মুর্শিদকুলী খাঁ এত কাল ব্যাপিয়৷ যে আপনার পূর্ব ক্ৰোধ পোষণ করিয়াছিলেন, ইহা যুক্তিযুক্ত বলিয়া মনে হয় না। তবে তিনি যেরূপ কঠোর প্রভু ছিলেন তাহাতে খালসা বিভাগের কোন রূপ গোলযোগের আশঙ্কা করিয়া দর্পনারয়ণকে কারারুদ্ধ করিতে পারেন। দর্পনারায়ণের মৃত্যুর পর বাদসাহ মহম্মদ সাহের রাজত্বের ৮ম বর্ষে এবং মুজাখার স্ববেদারী সময়ে ১৭২৭ খৃঃ অব্দে তৎপুত্র শিবনারায়ণ পিতার দেয় সমস্ত অর্থ ও দুই লক্ষ টাকা নজর প্রদান করিয়া বাদসাহের নিকট হইতে অৰ্দ্ধ মুবার কাননগো পদ লাভ করিয়াছিলেন।
- মুসলমান ঐতিহাসিকগণ বলিয়া থাকেন যে, মুর্শিদকুলী খ। শিব