পাতা:মুর্শিদাবাদের ইতিহাস-প্রথম খণ্ড.djvu/৬৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

দশম অধ্যায় । & 8wo ও সুরক্ষিত, সরকারী বন্দরের অতি নিকটে বৈদেশিকগণকে এরূপ সুদৃঢ় দুৰ্গরক্ষার অনুমতি প্রদান করা কোন ক্রমে কল্যাণকর নহে। ফৌজদারের এই প্রকার আবেদনে নবাব সুজাউদ্দীন বাকিবাজারস্থ জন্মান কুঠীকে ভূমিসাৎ করার জন্ত আদেশ প্রদান করেন। ইহার পর জার্মান অধ্যক্ষ ও হুগলীর ফৌজদারের মধ্যে অত্যন্ত বিবাদ বাধিয়া উঠে। অবশেষে ফৌজদারের আদেশে মীরজাফর নামক জনৈক সেনাপতির অধীনে বাকিবাজার আক্রমণার্থে হুগলী হইতে এক দল সৈন্ত প্রেরিত হয়। দুর্গের যে দিকে নদী ছিল না, সেই দিক হইতে মীরজাফর জার্মানদিগকে আক্রমণ করিলেন। মীরজাফর আপন শিবিরের চতুর্দিকে পরিখা খনন করিয়া অবরুদ্ধ জন্মান সৈন্তগণের গোলাবৃষ্টি হইতে স্বীয় সৈন্তগণের রক্ষার উপায় উদ্ভাবন করেন। জৰ্ম্মানগণ এদিকে সম্পূর্ণ রূপে ভাগীরথী অধিকার করিয়া বসিলেন, তাহারা অনুগ্রহপূর্বক যে সমস্ত নৌকার গমনাগমনের বাধা দেন নাই, তাহারাই তৎকালে যাতায়াত করিতে পারিয়াছিল। চন্দননগরস্থ ফরাসীগণ অস্ত্রশস্ত্র ও অন্তান্ত যুদ্ধোপকরণ দ্বারা জৰ্ম্মানদিগকে গুপ্ত ভাবে সাহায্য করিতে প্রবৃত্ত হন। কিন্তু প্রকাশুরূপে যাহাতে উভয় পক্ষের মধ্যে সন্ধি স্থাপিত হয়, তাহার সেই প্রকার ভাব প্রকাশ করিয়াছিলেন। খাজা ফজল কাশ্মীরী নামক হুগলীর জনৈক প্রধান মোগল ব্যবসায়ী এই বিবাদে মধ্যস্থ হইয় আপনার পুত্র কাসেমকে কতকগুলি সংবাদ জানাইবার জন্ত বাকিবাজারে প্রেরণ করেন। কিন্তু জৰ্ম্মানগণ নিরাপদ হওয়ার বাসনায় কুমতি: বশতঃ কাসেমকে প্রতিভূস্বরূপ অবরুদ্ধ করিয়া রাখেন। ফৌজদার খাজা ফজলের প্রতি এরূপ সম্মান প্রদর্শন করিতেন যে, তাহার পুত্রের জষ্ঠ কয়েক দিন যুদ্ধ স্থগিত রাখিলেন। কাসেম জৰ্ম্মানদিগের হস্ত