পাতা:মেয়েলি ব্রত ও কথা - পরমেশপ্রসন্ন রায়.pdf/১১০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


.nobr , भाई - ভয় হলো । তিনি চমকে উঠে চোক তুলে বলেন, না না, ও তোমার জিনিস তোমার ঠেয়ে থাক্‌ ; , আমি কোথায় হারিয়ে ফেলবো। এই ব’লে, গিনির শোক আবার উথলে উঠলো । ওহো-হেঃ ! আমি কি আর এখন বাক্স খুলতে পারবো গো ! আমি যে তাদের কত কাপড়, জামা ও খেলনা কিনে দিয়েছি, সবই তো আমার বাক্সে আছে, তা আমি এখন কেমন ক’রে দেখবো গো ! আঁচলে মুখ মুছে গিন্নি শান্ত হলেন । ধনপতি ভাবলেন, বড় ছেলে মেয়েকে ও তাদের বর-কনেকে আজ হঠাৎ নৌকা থেকে বা’র ক’রে কাজ নাই ; এই রাক্ষসীর রঙ্গ আরও একটা দিন দেখা যাক । সে দিন তিন চার নৌকা থেকে বাণিজ্যের জিনিসপত্র মণিমুক্তো জহরত ঘরে তুলতে তুলতে অনেক রাত হয়ে গেল। গিন্নির মনের ভিতর আনন্দের সীমানাই। এত ধন দৌলত ! এ সবই আমার নিজের ছেলে মেয়েৰু পাবে। সওদাগর বিদেশে গিয়ে বুড়ে বয়সে আফিম ধরেছেন ; কখন কি হয় বলা যায় না । এই সময় কিছু টাৰকাকড়ি নিজের কাছে লুকিয়ে রাখলে অসময়ে কাজে লাগবে। এই ভেবে তিনি বেশী রাত্রে চুপে চুপে বিছানা হতে উঠলেন। বাড়ীর পাশে অনেক দিনের পুরাণো এক পাতকুয়ো ছিল । তিনি তার ভেতর অনেক সোণারূপে, মণিমুক্তো ও টাকার তোড়া ফেলতে লাগলেন। কিন্তু বিধাতার নির্বন্ধ। খুব আঁধার রাত, গিন্নি প ফসকে পাতকুয়োর ভেতর পড়ে গেলেন। • ‘প্লৱদিন সকালবেল গিরির অপবৃত্যু ও অপমৃত্যুর কারণ প্ৰকাশ হয়ে পড়লো। কারুর মনে বিশেষ দুঃখ নাই । কিন্তু