পাতা:মেয়েলি ব্রত ও কথা - পরমেশপ্রসন্ন রায়.pdf/১১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ধনপৎ-কুমারী a 6S অনেক গহনা খুলে পাণের ডিবেয় বন্ধ ক’রে “জয় নাটাই ঠাকরুণের জয়” বলে নদীর জলে ছুড়ে ফেলে দিলেন । শ্ৰীমন্ত আশ্চৰ্য্য হয়ে বলেন, কল্পে কি ! কল্পে কি ! আমি শুধু রহস্য ক’রে বোলছিলেম বই তো নয় । সাত দিন পরে তঁরা বাড়ী পহুছিলেন। আজ বৌভাত । অনেক লোকের নেমন্তম । কিন্তু অনেক চেষ্টা ক’রে কোথাও DuuB S KDLD S BD D S gBBBD BBuBSS S DgDu DD DDDBDS পড়লেন । তখন বউ শ্বশুরকে ব’লে পাঠালেন, আপনার কোন চিন্তা নাই ; নাটাই ঠাকুরুণকে স্মরণ ক’রে জেলেরা নদীতে জাল ফেলুক, তা হ’লে অনেক মাছ পাওয়া যাবে। জেলেরা তাই কল্পে। আর তখনি তারা একটা পাঁচ মণ ভারি। “রাঘৰ বোয়াল’ মাছ সকলে মিলে বয়ে নিয়ে এসে, গা মুছে, গামোছার বাতাস খেতে লাগলো। সকলে দেখে অবাক! এত বড় মাছ কেউ কুটিতে সাহস কল্পে না । বউ বলেন, আমিই কুটৰো । दऊं বঁর্চ নিয়ে মাছের গলা অৰ্দ্ধেক কাটতেই সেই রূপের বড় পাণের ডিবে বেরিয়ে পড়লো ! তার ভেতর বৌয়ের সব গহনা পাওয়া গেল। শ্ৰীমন্তের মুখে সকলে ঘটনা শুনে আশ্চৰ্য্য হয়ে বলাবলি করতে লাগলেন, ইনি তো বউ নন, স্বয়ং লক্ষ্মী ! সেই দিন থেকে নাটাই ব্ৰতের কথা শ্বশুরের দেশেও ঘরে ঘরে প্রচার হয়ে গেল । কএক বছর পর ধনপৎকুমারীর এক সুন্দর ছেলে হলো। তাঁর শ্বশুর খুব ঘটা ক’রে নাতির অন্নপ্রাশনের উদ্যুগি করলেন। কিন্তু শ্বশুরের মনে সুখ নাই। গাঁয়ে খুব জলকষ্ট দেখে তিনি মন্তেক টাকা খরচ ক’রে এক পুকুর কাটিয়েছিলেন, কিন্তু তাতে কিছুতেই