পাতা:মেয়েলি ব্রত ও কথা - পরমেশপ্রসন্ন রায়.pdf/৭৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


es বুড়া ঠাকুরাণী । গিয়ে মেয়েটী বলে, মা’কে না দেখে থাকতে পারবো কেন, আমি মৰ্ট্যেই থাকবো। মহাদেব ছোট মেয়েটকে আদর ক’রে “বুড়ী” বলে ডাকতেন। বুড়ীর কথায় তিনি বলেন, আচ্ছ তাই হোক । এই ব’লে এক বনে গিয়ে এক সেওড়াগাছ তলায় তাকে রেখে দিলেন ; বলেন, বুড়ী তুমি এখানেই থাক । তুমি পৃথিবীতে বনদেবী ব’লে পুজো পাবে। তোমার ব্ৰত না করলে অস্ত ব্রত করা নিষ্ফল হবে } মহাদেব ভাবলেন, পাৰ্বতী কাৰ্ত্তিক গণেশকে ফেলে। আমি একা এখন কৈলাসে যাই কি ক’রে। কিছুদিন মর্ত্যেই থাকবো । বুড়ী তো মৰ্ত্তোর বনদেবী হ’লেন । তাকেও মাঝে মাঝে দেখা উচিত। এই ভেবে তিনি নিকটেই ছদ্মবেশে এক মুদীর দোকান ক’রে রইলেন। সেই পথে একদিন একটী দুঃখী মেয়ে বাজারে চুণ বিক্ৰী কত্তে যাচ্ছিল । তার মাথায় এক চুণের মালশী বনদেবী “বুড়া ঠাকুরাণী” তাকে ডাকলেন । সে চুণের মালশা নামিয়ে আশ্চৰ্য্য হয়ে দেখে, চুণতো নয়, সব দই ! বনদেবী বল্পেন, *আমার বড় খিদে পেয়েছে, তোমায় এই কড়িটী দিচ্ছি, তুমি দই রেখে মুদী দোকান থেকে চিড়ে, মুড়ি, চিনি, দুধ, মেঠাই এনে দাও । সে ভাবতে লাগলো একটী কড়িতে বেশী কি পাৰ। কিন্তু মুীর দোকানে কড়িটি দিতেই ‘মুদী” কিন্ত জিনিষ দিলেন, তা ব’লে শেষ করা যায় না । • মেয়ে-মানুয়াটি লোকজন বিয়ে একে একে সব জিনিষ বনদেবীর কাছে বয়ে দিয়ে এলো । "ধনী সামাঙ্ক একটু খেয়ে সব জিনিষ মেন্থে মানুহটিকে দিলেন। আর তাকে এক স্বালঙ্কা সোণা দিলেন। তখন